বিয়ানীবাজার কূপের গ্যাস গ্রিডে যুক্ত হবে আজ

আপডেট : ২৮ নভেম্বর ২০২২, ০২:৫১ এএম

সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের আওতাধীন বিয়ানীবাজার গ্যাসক্ষেত্রের পরিত্যক্ত সেই ১ নম্বর কূপ থেকে আবার গ্যাস উত্তোলন শুরু হচ্ছে। আজ সোমবার থেকে এই কূপের গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। প্রতিদিন এই কূপ থেকে ৭ থেকে ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার ১ নম্বর কূপ গত সেপ্টেম্বরে খননকাজ শুরু করে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)। সফল খনন শেষে এখন গ্যাস উত্তোলন শুরু হচ্ছে।

সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মিজানুর রহমান জানান, সোমবার বিয়ানীবাজার গ্যাসক্ষেত্রের ১ নম্বর কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে। গতকাল রবিবার গ্যাস সরবরাহের সব প্রস্তুতিমূলক কাজ সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিদিন এই কূপ থেকে ৭ থেকে ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে। তিনি আরও জানান, বর্তমানে এই কূপের ৩ হাজার ২৫৪ মিটার গভীরে ৭০ বিলিয়ন ঘনফুটের বেশি গ্যাস মজুদ আছে। গ্যাসের চাপ পরীক্ষার পর দেখা গেছে ওই কূপটি থেকে দৈনিক ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব। তবে কারিগরি বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে দৈনিক ৭ থেকে ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা হবে। এছাড়া দৈনিক ১২৫ থেকে ১৩০ ব্যারেল কনডেন্স গ্যাস পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সিলেট গ্যাস ফিল্ডস সূত্র জানায়, ১ নম্বর কূপ থেকে ১৯৯১ সালে গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়। ২০১৪ সালে তা বন্ধ হয়ে যায়। ২০১৬ সালে আবার উত্তোলন শুরু হলেও ওই বছরের শেষ দিকে আবারও তা বন্ধ হয়। ২০১৭ সালের শুরু থেকেই কূপটি পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। এরপর বাপেক্স ওই কূপে অনুসন্ধান কাজ চালিয়ে গ্যাসের মজুদ পায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ১০ সেপ্টেম্বর ওই কূপে পুনর্খনন শুরু হয়।

সিলেটে বর্তমানে এসজিএফএলের আওতায় পাঁচটি গ্যাসক্ষেত্র আছে। এগুলো হচ্ছে- হরিপুর গ্যাস ফিল্ডস, রশিদপুর গ্যাস ফিল্ডস, ছাতক গ্যাস ফিল্ডস, কৈলাশটিলা গ্যাস ফিল্ডস ও বিয়ানীবাজার গ্যাস ফিল্ডস। এর মধ্যে ছাতক গ্যাস ফিল্ডস পরিত্যক্ত অবস্থায় আছে। বাকিগুলোর ১২টি কূপ থেকে বর্তমানে প্রতিদিন ৯১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত