এক রাজার এক ‘অতিরিক্ত’ সন্তান

আপডেট : ১৩ জানুয়ারি ২০২৩, ১০:২২ পিএম

নিজের জীবন নিয়ে সম্প্রতি একটি বই লিখেছেন চার্লস ও ডায়ানার ছোট ছেলে প্রিন্স হ্যারি। নাম স্পেয়ার। জীবনের তিক্ত অভিজ্ঞতা দ্বিধাহীনভাবে বইটিতে তুলে ধরেছেন হ্যারি। স্পেয়ার নিয়ে লিখেছেন তৃষা বড়ুয়া

আত্মজীবনী

প্রিন্স হ্যারির আত্মজীবনী স্পেয়ার ১০ জানুয়ারি প্রকাশিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পাঁচ দিন আগে ৫ জানুয়ারি এটির স্প্যানিশ সংস্করণের কয়েক কপি স্পেনে বিক্রি হয়ে যায়। এর পরপরই শুরু হয় ব্রিটিশ রাজপরিবারের এই সদস্যের জীবনীতে উল্লিখিত বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা। স্পেয়ারে হ্যারিকে রাখঢাক করতে দেখা যায়নি, বিনয়েরও আশ্রয় নেননি তিনি। দ্বিধাহীনভাবে তিনি তার জীবনের নানা বাঁকের গল্প পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। হ্যারি তার আত্মজীবনীতে ব্রিটিশ রাজপরিবার সম্পর্কে এমন কিছু কথা বলেন, যা এর আগে বাইরের কেউ জানতেন না। রাজপরিবারের নিয়মনীতির কারণে হ্যারিকে যে ভুগতে হয়েছে, সেসব তিক্ত অভিজ্ঞতা বইটিতে লিপিবদ্ধ করেন তিনি। ব্রিটিশ রাজপরিবারের অপ্রিয় সত্য এভাবে সবার সামনে নিয়ে আসায় তার বড় ভাই উইলিয়াম স্বাভাবিকভাবেই চটেছেন। দুই ভাইয়ের একান্ত ব্যক্তিগত বিষয় প্রকাশ্যে আনায় হ্যারিকে কখনো ক্ষমা করবেন না বলে জানিয়েছেন তিনি। হ্যারির আত্মজীবনী পড়ে শুধু উইলিয়াম প্রতিক্রিয়া জানান, তা নয়। অন্য দেশের রাজনীতিবিদদেরও এ নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা যায়। ছোটবেলায় মা ডায়ানার মৃত্যু, বড় ভাই উইলিয়ামের সঙ্গে সম্পর্ক তিক্ত থেকে তিক্ততর হওয়া, স্ত্রী মেগানের সঙ্গে রাজপরিবারের বিমাতাসুলভ আচরণএসব নিয়ে লেখায় অনেকে মনে করছেন, জীবনের ঘটনাগুলো বলতে গিয়ে অনেক বেশি কল্পনার দ্বারস্থ হয়েছেন প্রিন্স হ্যারি। মূলত মনোযোগ আকর্ষণের জন্যই তিনি এমন করেছেন। অবশ্য ভিন্ন কথাও অনেকে বলছেন। তাদের মতে, আত্মজীবনীতে হ্যারি ব্রিটিশ রাজপ্রাসাদের বাহ্যিক চাকচিক্যের অন্তরালে ভেতরের রাজনীতি ও দুরবস্থা তুলে এনেছেন। এতে অতিরঞ্জিত করে কিছু বলা হয়নি, সত্যের সঙ্গে আপসও করা হয়নি।

উত্তরাধিকারীর ‘অতিরিক্ত’

প্রিন্স হ্যারি মনে করেন, ব্রিটিশ রাজপরিবার তাকে বরাবরই তার বড় ভাই ও যুবরাজ উইলিয়ামের ‘অতিরিক্ত’ হিসেবে দেখেছে। তাদের আচরণে তা কখনো লুকোনো থাকেনি। এটি তার আত্মজীবনীর প্রধান বিষয় বলা চলে। ঘুরেফিরে এ নিয়ে কথা বলেছেন হ্যারি। আত্মজীবনীর নামও তিনি রাখেন স্পেয়ার বা অতিরিক্ত। তার এই মনে হওয়া যে ছোটবেলা থেকে তাকে যন্ত্রণা দেয়, তা বলাই বাহুল্য। স্পেয়ারের এক জায়গায় হ্যারি বলেন, তার বয়স যখন ২০, সে সময় একটি ঘটনা তার কানে আসে। হ্যারির জন্মের পরপরই তার বাবা চার্লস তার মা ডায়ানাকে বলেছিলেন, ‘চমৎকার। এর আগে তুমি আমাকে একজন উত্তরাধিকারী দিয়েছিলে, এখন একজন অতিরিক্ত দিলে। তুমি তোমার কাজ শেষ করেছো।’এই বলে প্রেমিকার সঙ্গে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়েন চার্লস। তার বাবা হয়তো ডায়ানাকে ঠাট্টা করে ওই কথা বলেছিলেন কিন্তু হ্যারি যে চার্লসের কথাকে ঠাট্টা হিসেবে নেননি, তা ৩৮ বছর বয়সী এই যুবকের আত্মজীবনী পড়লে স্পষ্ট হয়। হ্যারি সব সময়ই ‘প্ল্যান বি’, ‘ছায়া’ হিসেবে রাজপরিবারে ছিলেন, এর বেশি কিছু নয়এমনটাই তিনি লেখেন স্পেয়ারে। নিজেকে রাজপরিবারের একজন অবহেলিত সদস্য মনে করতেন হ্যারি। পরিবারের ভেতরেরাজপরিবার বা সাধারণ পরিবার যেটাই হোক না কেনছোটবেলা থেকে অগুরুত্বপূর্ণ ও অদরকারি হয়ে থাকলে কেমন অনুভূতি হয়, কী ধরনের মনঃকষ্টের ভেতর দিয়ে যেতে হয়, স্পেয়ারের মাধ্যমে তিনি যেন তারই জবাব দিয়েছেন।

ভাইয়ের হাতে লাঞ্ছিত

উইলিয়ামের সঙ্গে হ্যারির সম্পর্ক দিনকে দিন ঠুনকো হয়ে পড়া স্পেয়ারের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দুই ভাইয়ের সম্পর্ক কখন, কীভাবে নাজুক হয়, তা বইটির কয়েক জায়গায় উল্লেখ করা হয়। তবে ২০১৯ সালের একটি ঘটনা রীতিমতো বিস্ময় জাগানিয়া। ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লসের কনিষ্ঠ ছেলে হ্যারি দাবি করেন, ওই বছর তার স্ত্রী মেগানকে নিয়ে উইলিয়ামের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয় হ্যারির। উইলিয়াম মেগানকে ‘অভদ্র, ‘কঠোর’ ও ‘জটিল’ হিসেবে অভিহিত করেন। কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে হ্যারির কলার চেপে ধরেন উইলিয়াম। এরপর তিনি ছোট ভাইয়ের গলার চেইন টেনে ছিঁড়ে ফেলেন এবং ধাক্কা মেরে তাকে রান্নাঘরের মেঝেতে ফেলে দেন। বড় ভাইয়ের এমন ব্যবহারে হতবাক হয়ে পড়েন হ্যারি। পিঠে চোটও পান তিনি। উইলিয়াম তাকে মেঝে থেকে উঠে বদলা নিতে অসম্মানজনকভাবে প্ররোচিত করেন কিন্তু তাতে সায় দেননি হ্যারি; বরং তিনি বড় ভাইকে সামনে থেকে চলে যেতে বলেন। ঘটনাটি শুধু থেরাপিস্টকে জানিয়েছিলেন হ্যারি। পরে তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখে মেগানও বিষয়টি জানতে পারেন। মেগান সব শুনে খুব দুঃখ পেয়েছিলেন বলে স্পেয়ারে উল্লেখ করেন হ্যারি।

পরিবার ছাড়ার সিদ্ধান্ত

ছোটবেলা থেকে রাজপরিবারের সদস্যদের অন্যায় কর্মকাণ্ড ও স্ত্রী মেগানের সঙ্গে তাদের অনাকাক্সিক্ষত আচরণ হ্যারির পরিবার থেকে বের হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে কাজ করে। ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও সঞ্চালক অপরাহ উইনফ্রের অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন হ্যারি ও মেগান। সেখানে মেগান অভিযোগ করে বলেছিলেন, রাজপরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে বর্ণবাদী মন্তব্য শুনতে হয়েছে তাকে। তার আগত সন্তানের গায়ের রঙ তার মতোই হবেএমন কথাও তাকে শোনানো হয়। রাজপরিবারের যারা মেগানকে এসব কথা শুনিয়েছিলেন, তাদের নাম উইনফ্রেকে সাক্ষাৎকারে বলেননি মেগান। তিনি বলেছিলেন, রাজপরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে অভব্য ব্যবহার পেতে পেতে একপর্যায়ে তার মনে হতে থাকে, তিনি বদ্ধ ঘরে আটকা পড়েছেন। সে সময় তার বেঁচে থাকার ইচ্ছাও চলে যায়। জীবদ্দশায় মা ডায়ানাকে রাজপ্রাসাদে যেসব তিক্ত অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়, স্ত্রী মেগানের ক্ষেত্রেও তা হয় কি না, এই আশঙ্কায় স্ত্রীকে নিয়ে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন হ্যারি।

চার্লস-ডায়ানার ছোট ছেলে আশা করেছিলেন, তিনি তার স্ত্রীকে নিয়ে কেন পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হতে চেয়েছেন, তা তার বাবা ও বড় ভাই বুঝবেন। কিন্তু আদতে তা ঘটেনি। ২০২১ সালের এপ্রিলে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের স্বামী প্রিন্স ফিলিপের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যাওয়ার পর তার দিকে রাগান্বিত দৃষ্টিতে তাকান উইলিয়াম। তার ওই অভিব্যক্তি হ্যারির পরিচিত। অতীতে বিভিন্ন সময়ে উইলিয়াম তার ছোট ভাইয়ের দিকে ওভাবে তাকিয়েছেন। প্রিন্স ফিলিপের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার একপর্যায়ে দুই ভাইয়ের বাগ্যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন চার্লস। মর্মাহত হয়ে দুই ছেলেকে তিনি বলেছিলেন, ‘আমার জীবনের শেষ দিনগুলোতে দয়া করে তোমরা আমাকে কষ্ট দিয়ো না।’ সেদিনের ঘটনা স্পেয়ারে এভাবেই ব্যাখ্যা করেন হ্যারি। আত্মজীবনীতে তিনি জানান, উইলিয়াম ও তার স্ত্রী কেট মিডলটন একসময় মেগানের অভিনয় পছন্দ করতেন। বিশেষ করে মার্কিন ড্রামা সিরিজ স্যুটস-এ তার অভিনয় মুগ্ধ করে ওই দম্পতিকে। তবে তারা যখন জানতে পারেন, হ্যারির সঙ্গে মেগানের সম্পর্ক হয়েছে, তখন মেগানের প্রতি তাদের মুগ্ধতা নিমেষেই উবে যায়। উইলিয়াম সে সময় হ্যারিকে বলেছিলেন, ‘সিদ্ধান্ত তো তুমি নিয়েই ফেলেছো। মেগান আমেরিকান অভিনেত্রী। অনেক কিছুই ঘটতে পারে।’

মাকে হারানোর বেদনা

১৯৯৭ সালে গাড়ি দুর্ঘটনায় ডায়ানার মৃত্যু হ্যারির জীবনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। মায়ের মৃত্যুর খবর তাকে প্রথম দেন চার্লস। সে সময় তারা স্কটল্যান্ডের বালমোরাল প্রাসাদে ছিলেন। স্পেয়ারে হ্যারি অভিযোগ করে বলেন, ডায়ানার মৃত্যুসংবাদ দেওয়ার সময় আবেগ যথাযথভাবে প্রকাশ করেননি চার্লস। মাত্র ১৩ বছর বয়সী হ্যারি মাকে হারানোর খবর শুনে বিধ্বস্ত হয়ে পড়লেও তাকে জড়িয়ে ধরেননি চার্লস। আত্মজীবনীতে হ্যারি বলেন, মায়ের মৃত্যু ঠিক কীভাবে হয়েছিল, তা জানার অনেক চেষ্টা করেন তিনি কিন্তু শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হন। ডায়ানাকে বহনকারী গাড়ির চালক মাতাল ছিলেন এবং এ কারণে দুর্ঘটনা হয়তদন্তকারী সংস্থার এই বক্তব্যে সন্তুষ্ট ছিলেন না তিনি। হ্যারির ভাষ্য, দুর্ঘটনার গুরুত্বপূর্ণ দিক এড়িয়ে গিয়ে জটিল বিষয়কে সহজ করে দেখিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। ডায়ানার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যা বলা হয়, তা অযৌক্তিক। ওই চালক যদি মাতাল হয়েও থাকেন, তাহলেও তার ওই ছোট টানেলের ভেতর দিয়ে গাড়ি চালাতে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। স্পেয়ারে হ্যারি আরও বলেন, মায়ের মৃত্যুর ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চেয়েছিলেন হ্যারি ও উইলিয়াম কিন্তু ‘সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীরা’ তাদের নিরুৎসাহিত করেন। হ্যারি বলেন, মাকে হারানোর যন্ত্রণা তাকে এতটাই বিপর্যস্ত করে তোলে যে মৃত ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা আছে বলে দাবি করা এক নারীর শরণাপন্ন পর্যন্ত হন তিনি। ওই নারীর মাধ্যমে বেশ কয়েকবার স্বর্গীয় মায়ের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছিলেন হ্যারি। স্পেয়ারে তিনি জানান, মায়ের মৃত্যুর পর তারা দুই ভাই পরস্পরের কাছে এসেছিলেন। এরপর যখন তারা জানতে পারেন, তাদের বাবা চার্লস ক্যামিলাকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তখন তারা নিজেদের আরও সময় দিতে থাকেন। উইলিয়াম ও হ্যারি চার্লসকে অনুরোধ করেছিলেন, তিনি যেন ক্যামিলাকে বিয়ে না করেন। পরে অবশ্য দুই ভাই চার্লসক্যামিলার সম্পর্কে নিয়ে কিছু বলেননি।

যৌন সম্পর্ক ও মাদকসেবন

আত্মজীবনীতে এই দুই বিষয় নিয়ে অকপটে কথা বলেন প্রিন্স হ্যারি। পাঠকদের তিনি জানান, ব্যস্ত এক পানশালার পেছনের মাঠে বয়সে বড় এক নারীর সঙ্গে প্রথম দৈহিকভাবে মিলিত হন তিনি। ওই নারীর নাম তিনি জানতেন না। মাদকের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে হ্যারি জানান, ১৭ বছর বয়সে প্রথম কোকেন সেবন করেন তিনি। এ ছাড়া কেনসিংটন প্রাসাদের বাগান ও ইটন স্কুলে প্রায়ই গাঁজা খেতেন। বিনোদন ও চিকিৎসার জন্য কয়েকবার সাইকেডেলিক মাদকসেবনেরও অভিজ্ঞতা হয় তার।

তালেবান হত্যা

২০১২-১৩ সালে ব্রিটিশ ফোর্সে হেলিকপ্টার পাইলট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন হ্যারি। আত্মজীবনীতে তিনি দাবি করেন, সে সময় আফগানিস্তানে ছয়টি অভিযানে অংশ নেন তিনি। অভিযানে ২৫ তালেবান যোদ্ধার মৃত্যু হয়। তার এই দাবি অনেককেই বিস্মিত করে। হ্যারি স্পেয়ারে বলেন, ‘এই সংখ্যা আমাকে যেমন গর্বিত করে না, তেমনি লজ্জিতও করে না। আমি তখন যুদ্ধের উত্তেজনা ও বিহ্বলতার মধ্যে নিমজ্জিত। স্বভাবতই আমি ওই ২৫ যোদ্ধাকে মানুষ হিসেবে দেখব না, দাবার ঘুঁটি হিসেবে দেখব, যাদের দাবার বোর্ড থেকে সরানো দরকার ছিল। ভালো মানুষরা যাতে মন্দদের হাতে মারা না যান, সেজন্য মন্দদের আগেই নিশ্চিহ্ন করতে হয়।’ ৫ জানুয়ারি স্পেনে স্পেয়ারের কয়েক কপি বিক্রির পর অনেকের মতো আফগানিস্তানের তালেবান সরকারও হ্যারির ওই স্বীকারোক্তিমূলক বক্তব্যের কথা জানতে পারে। তারা এর তীব্র নিন্দা জানায়। তালেবান নেতা আনাস হাক্কানি বলেন, ‘প্রিন্স হ্যারি তার আত্মজীবনীতে যে সময় ও স্থানের কথা উল্লেখ করেছেন, আমরা তা চেক করেছি। ওই সময় আফগানিস্তানের হেলমন্দ প্রদেশে আমাদের কোনো মুজাহিদীন মারা যাননি। এতে পরিষ্কার, ব্রিটিশ বাহিনী বেসামরিক মানুষকে লক্ষ্য করে সে সময় অভিযান চালিয়েছিল, যার ফলে ওই নিরপরাধ ব্যক্তিরা প্রাণ হারান।’

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত