বিএসএমএমইউ উপাচার্য

কর্নিয়া দান করে অন্যের অন্ধত্ব দূর করা সম্ভব

আপডেট : ১৪ জানুয়ারি ২০২৩, ০৫:০২ পিএম

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেছেন, কর্নিয়া দানের মাধ্যমে মানুষের অন্ধত্ব দূর করা সম্ভব। এটি একটি মহতী কাজ। কর্নিয়া দান করে মৃত্যুর পরেও অন্যের চোখের দৃষ্টি হয়ে বেঁচে থাকতে পারেন।

তিনি বলেন, মানুষের কর্নিয়া দান একটি সহজ প্রক্রিয়া এবং এর মাধ্যমে মুখমণ্ডলের কোনো বিকৃতি হয় না। এর অভাবে অন্ধত্ব দূরীকরণ কার্যক্রম পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না। কর্নিয়া দানে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গণমাধ্যম বিরাট ভূমিকা রাখতে পারেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ আজ শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের চক্ষু বিভাগে অপারেশনের মাধ্যমে কর্নিয়া প্রতিস্থাপনকারী ৬ জন রোগীর চক্ষু পরীক্ষা করেন। এ সময় তিনি কর্নিয়া দানে উৎসাহিত হয়ে ও অন্ধত্ব দূরীকরণের কার্যক্রম সফল করতে সবার প্রতি আহ্বান জানান।

উল্লেখ্য, ১২ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের চক্ষু বিজ্ঞান বিভাগ ও কমিউনিটি অফথালমোলজী বিভাগের উদ্যোগে ৬ জন রোগীর চোখে কর্নিয়া প্রতিস্থাপন করা হয়। রোগীদের চোখে কর্নিয়া প্রতিস্থাপন করেন চক্ষু বিশেষজ্ঞ সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শীষ রহমান এবং সহকারী অধ্যাপক ডা. রাজশ্রী দাশ। এসব কর্নিয়া সংগ্রহে নেপালের তিলগঙ্গা আই ইনস্টিটিউট চক্ষু ব্যাংক ও নেপালি চিকিৎসকগণ সহায়তা করেন।

বিএসএমএমইউয়ের চক্ষু বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে অচিরেই সংযোজনের জন্য কর্নিয়া পাঠাবে। এ জন্য ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ ২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সান ডিয়াগো আই ব্যাংকের সঙ্গে এমওইউ চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

দেশে কর্নিয়া সংযোজনে জনগণের অসচেতনতা এবং কর্নিয়া সংগ্রহের অপ্রতুলতার কারণে রোগীর চোখে কর্নিয়া প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হয় না। সে কারণে উপাচার্য বিভিন্ন বন্ধু রাষ্ট্রের সহায়তায় কর্নিয়া সংযোজনের জন্য এমওইউ চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ নিয়েছেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত