রোহিঙ্গাদের এনআইডি ও পাসপোর্ট তৈরি করে দিত তারা

আপডেট : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৮:০২ এএম

রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি পাসপোর্ট তৈরি করে বিদেশে পাঠানো চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে চট্টগ্রাম মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এরমধ্যে দুইজন রোহিঙ্গা নাগরিকও আছে। তাদের হেফাজত থেকে পাঁচটি বাংলাদেশি পাসপোর্ট ও একটি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার ভোরে নগরের খুলশী থানার গরিব উল্লাহ শাহ মাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার বাসিন্দা মো. খসরু পারভেজ (৩৬), লোহাগাড়ার মো. ইসমাইল (২০), বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির মো. তসলিম (২৮) ও পটিয়ার মো. ফারুক (২৫)। দুই রোহিঙ্গা নাগরিক হলেন উখিয়া–৭ নম্বর ক্যাম্পের মো. জাবের (২৫) এবং কুতুপালং–২ নম্বর ক্যাম্পের রজি আলম (২৭)।

তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ কর্মকর্তারা দেশ রূপান্তরকে জানান, গ্রেপ্তাররা এক লাখ টাকায় রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি এনআইডি ও পাসপোর্ট করে দিতেন। তাদের মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানোর জন্য নিতেন তিন থেকে চার লাখ টাকা।

১০ ফেব্রুয়ারি সৌদি আরবের জেদ্দা যাওয়ার পথে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আসাদ উল্লাহ নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ৯ জানুয়ারি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংঘটিত একটি হত্যা মামলারও ‘সন্দিগ্ধ’ আসামি তিনি। তাকে গ্রেপ্তারের পর তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, চট্টগ্রামের ঠিকানা ব্যবহার করে পাসপোর্ট তৈরি করেন ওই রোহিঙ্গা যুবক। তার কাছে বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্রও রয়েছে।

আসাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার ভোরে নগরের গরিব উল্লাহ শাহ মাজার এলাকা থেকে দুই রোহিঙ্গাসহ খসরু পারভেজকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে খসরু পারভেজের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে তসলিম, ইসমাইল ও ফারুককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত