ব্রিটিশ উপনিবেশিক কালোত্তর পাকিস্তানি আঞ্চলিক আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে ভাষা সংস্কৃতিভিত্তিক জাতীয়তাবাদের উত্থানকালের অধীনতাবিরোধী লড়াইয়ের যুগ। অধীনকালে বসে নয়, বরং স্বাধীনকালের কণ্ঠস্বর। সাংঘর্ষিক নগর পলাতক মানুষের এক অস্থির কাল। আতঙ্ক, ঘৃণা, রক্ত, অশ্রু, প্রতিহিংসা, প্রতিরোধ, উদ্বেগ, স্বাধীনতার স্বপ্ন পূরণের আলো এবং আঁধারীর কাল।
এক অতলস্পর্শী গভীর রহস্যময়তার ইংগিত করে। দেশ বদল হলেও রাষ্ট্রটি বহাল রয়ে গেছে। মনে পড়বে সৈয়দ ওয়ালিউল্লার একটি তুলসী গাছের কথা গল্পটি। কত প্রেম, কত মায়া, কত আশা আর স্বপ্ন বৃষ্টিভেজা মাটির মতো ভেজা ওম ছড়িয়ে আছে। কেবল বর্তমানই নয়। অতীতেরও সেই সাতচল্লিশে বাংলা ভাগের স্মৃতিও। আমরা টের পাই অতীত এবং বর্তমানের প্রাচীন এবং নবীন মিশেল এক অদৃশ্য বিষন্নতা লেপটে আছে।
চন্দ্রকলার হ্রাসবৃদ্ধির শুভ তিথির বন্ধন। গার্হস্থ্য জীবনগন্ধী নিদ্রাবাস। গ্রাম্য নয়, বরং নাগরিক। প্রেম, ভালোবাসা, সুখ, সুখাভিমান, নর-নারীর যৌথ এক পৃথিবী। রূপকল্পে বলতে হয় নারী-পুরুষের রাজনৈতিক বন্ধন মুক্তির অভীক্ষার ভেতর জড়াজড়ি করে আছে মিলন মৈথুন জগতের অত্যাশ্চর্য বিস্ময়। রাষ্ট্র, রাজনীতি, যুদ্ধ, শান্তি, স্বপ্ন, কল্পনা আর ভীতিকর ছায়া বিছিয়ে আছে। মোট কথা যুদ্ধ, প্রেম, ইতিহাস। এই ত্রিধারার ভেতর আবর্তিত হয়েছে মানুষের আখ্যান। এই আখ্যানের ভেতর আমরা রাজনৈতিক মতাদর্শের দ্বন্দ্বও দেখতে পাই পরিবারের ভেতর। পিতা ও পুত্র যেন পরস্পর প্রতিদ্বন্দ্বী।
আমরা যারা গল্প উপন্যাস লিখি তাদের ধারণা, কথাকাররা কবিদের গ্যালাক্সি থেকে বহু আলোকবর্ষ দূরের গ্যালাক্সিতে বসবাস করেন আবেগ প্রকাশের ক্ষেত্রে। ধারণাটি একটি প্রাচীন সংস্কার মাত্র। কবিরা কল্পলোক বিলাসী, কথাকাররা বাস্তববাদীÑ ধারণাটি কি ঠিক? আসলে কথাকারদের আবেগ লুকিয়ে থাকে আখ্যানের জটাজালে, সহজে তা দৃশ্যমান নয়। কবিদের আবেগ লুকানোর জায়গা নেই, তাদের ভাবের ঘরে চুরি হয়ে যায়। এ বাক্য কেবল আবেগই নয়, সাদামাটা কবিতাও নয়, এ যেন মহাকাব্যিক মহাকাশের মহাবিস্ফোরণের মতো শিহরণ জাগানো বিষণœঘেরা দুঃখবাদী মানব প্রজাতির ভাষা সৃষ্টির আদি উচ্চারণ। ভাষাবাদী দার্শনিকরা তাকেই বলেন মানবের ভবিতব্য। ট্র্যাজেডি এখানেই লুকিয়ে। অন্যদিকে ট্র্যাজেডি আর দ্বন্দ্ব কেবল নাট্যসাহিত্যের ফিলসফি নয়, উপন্যাসেরও। সাতচল্লিশে অখণ্ড ভারতবর্ষকে খণ্ডায়িতকরণ নিয়ে যেমনি দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছিল, একাত্তরে পাকিস্তান ভাঙা নিয়েও তেমনি দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। এই দ্বিমাত্রিক দ্বন্দ্ব আলাদা মাত্রা দিয়েছে। একই পরিবার কিংবা স্বজনদের ভেতর এই রাজনৈতিক মতাদর্শগত দ্বন্দ্ব উপনিবেশবাদী দর্শনের সঙ্গে উত্তর উপনিবেশবাদী দর্শনের দ্বন্দ্বকেই স্পষ্ট করে তোলে। পাকিস্তান ভেঙে যাবে বলে যাদের আমরা আতঙ্কিত হতে দেখেছি, আসাম সীমান্তের করিমগঞ্জ নিয়ে তাদের মনোলোকেই কেবল মর্মস্পর্শীই নয়, মানুষের মনকে চেনার তৃতীয় নয়নের ক্ষমতা প্রকাশেও মুগ্ধ হই।
একাত্তরের যুদ্ধটা যে কেবল জাতীয় যুদ্ধ বা জাতির যুদ্ধ ছিল তা যত সত্য, ঠিক ততটা সত্য ব্যক্তিক যুদ্ধ বা ব্যক্তির যুদ্ধ। এ যুদ্ধ কেবল সঙ্ঘবদ্ধ যুদ্ধ নয়, ব্যক্তির একাকী যুদ্ধও। এই দৃষ্টিকোণ সাহিত্যের অন্তগূঢ় সত্যেরই নির্দেশ করে। বাড়ি থেকে বেরিয়ে ঘোড়ার গাড়িতে চেপে যে মেয়েটি স্কুলে যায় তার জিজ্ঞাসা, তার মনের অতলের প্রশ্ন বিচলিত করে। আঠারো শতকের ঘোড়ার গাড়ির স্মৃতি শতাব্দী পেরিয়ে চলমান বর্তমানের সামনে দাঁড় করায়। সেই মেয়েও যে মুক্তি চায়, অন্য রকম মুক্তি, সেই মনস্তাত্ত্বিক লড়াইটা চারপাশের জানালাগুলো খুলে দেয়। সেই মেয়েটিকে যে নদী বুড়িগঙ্গা গোপনে তার পাশে ডেকে নেয়, তার আত্মপ্রশ্ন কি? গোপন জিজ্ঞাসাটা কি ছিল, ও নদী কোথায় তোমার ঘর? এক গোলক ধাঁধায় টেনে নেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে এমনি একটি বিস্ময়কর বিশ্বনির্মাণ। এ যেন প্রাচীন কোনো আখ্যানে বর্ণিত হারানো সময়ের পান্থপথিকের আত্মকথন। এমনও তো হয় যে, হাজার লাখ বছরের প্রাচীন গুহাবাসীর দেহাবশেষের জীবাশ্ম যেন গুহার ভেতর আবিষ্কার। পান্ডুলিপি, ছেঁড়া ছেঁড়া কাগজ। এখানে সেই প্রস্তরযুগের গুহামানবের জীবাশ্মের প্রতিকল্প হয়ে দাঁড়ায় এই কাঁচা হাতের লেখা এলোমেলো জীবন পা-ুলিপি। এই শিল্প-কৌশল উপনিবেশ যুগের সাহিত্যকলা রীতিকে ডিঙিয়ে উত্তর-উপনিবেশিক শিল্প স্মৃতির সামনে দাঁড় করায়।
স্মৃতি। স্মৃতিভ্রষ্ট বাঙালিকে ঝাঁকুনি দিয়ে যায়। স্মৃতিকে জাগ্রত করার প্রচেষ্টায়। স্মৃতি হচ্ছে বাস্তব দুনিয়া থেকে হারিয়ে যাওয়া অস্পষ্ট। মানুষের মগজ কোষে স্টোর হওয়া এমন এক বাস্তব, যা বিষাদ বিষন্নতায় পরিপূর্ণ। এমন এক জটিল সময়ে বাঙালির কাছে মহান সেই মুক্তিযুদ্ধ জনবসতি থেকে দূরবর্তী নীরব নিস্তব্ধ অস্পষ্ট গোরস্তানের রূপ নেয়। নির্মম এই বাস্তবতার সামনে দাঁড়িয়ে কবি মাইকেলের ‘মেঘনাধ বধ’ কাব্যের মতো বীররসের উল্টো করুণরসের সমাপ্তি রীতির বাইরে যাওয়া। পুরনো ঢাকার যে ভৌগোলিক পরিবেশের ভেতর সময়াধার বন্দি তা থেকে মুক্তির পথ নেই। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই অলিগলি সব পাল্টে গেছে। রাতভর জেগে থাকে কেবল স্মৃতি। সেই স্থান এবং কালের পুনরুত্থান কোনো দিনই সম্ভব নয়। স্মৃতির ছায়ার পেছনে ছুটেছেন পেছনে পেছনে। অবিরাম চলা। একাত্তরের বাস্তবতায় মানুষকে বিপন্নতার গভীর অন্ধকার খাদের কিনারায় ঠেলে দিয়েছেন। আবার কিনা জীবনের অদম্য আকাক্সক্ষাকে তীব্র আগুনের মতো জ্বালিয়ে দিয়েছেন। বিচলিত হয় হত্যা আর রক্তের সামনে। আবার আচমকা অন্ধকার দীর্থ করে জয়বাংলা ধ্বনিতে রক্তবীজ থেকে অঙ্কুরের উদ্ভব দেখতে পেয়ে মুক্তির স্বপ্নে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। এই যে বিপরীতধর্মী মানব মন আর মগজের দ্বন্দ্ব তা কেবল এই রাজনৈতিক নয়, নরনারীর প্রেমানুভূতিতেও। জীবনের প্রয়োজনেই রাজনীতি আসবে, মতাদর্শের বিতর্কও আসবে। রাজনীতি বিচ্ছিন্ন জীবন কখনো হয় না, কেবল হয় বিনোদন সম্ভোগ। মেরুদণ্ড সোজা থাকতে হয় অপ্রিয় সত্যের সামনে।
আসল রহস্যটা হচ্ছে পূর্ববঙ্গের জমিদারদের তৈরি করেছে ইংরেজের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত। জমিদারদের সিংহ ভাগই ছিল ব্রাহ্মণবাদী মতাদর্শে বিশ্বাসী উচ্চবর্গের হিন্দু। ভয়ংকর সাম্প্রদায়িক তো বটেই, হিন্দু বর্ণবাদীও। নিম্নবর্গ হিন্দুদেরও সাহস হয়নি ব্রাহ্মণ-কয়েত জমিদার বাড়ির সামনে দিয়ে জুতো চটি পরে হাঁটা। অন্যদিকে রবীন্দ্রবিতর্ক আরও জটিল। প্রশ্নটা পৌত্তলিক হিন্দুধর্ম আর নিরাকার একেশ্বরবাদী ব্রাহ্মধর্মের দ্বন্দের ভেতর। দ্বন্দ্ব এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে, হিন্দু সমাজে ব্রাহ্ম রবীন্দ্রনাথের গান অর্থাৎ রবীন্দ্রসংগীত নিষিদ্ধ হয়ে যায়। রবীন্দ্রসংগীত নিষিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি পাকিস্তান যুগের নয়, উপনিবেশিক যুগেরও ফসল। ভাবতে অবাক লাগে, ব্রাহ্ম রবীন্দ্রনাথের নোবেলপ্রাইজ প্রাপ্তির সংবাদে উগ্র ব্রাহ্মণ্যবাদী হিন্দু সমাজের একাংশের কাছে পীড়াদায়ক হয়ে ওঠে। কি বিচিত্র এই দেশ সেলুকাস। স্পর্শকাতর হিন্দু ব্রাহ্মণ্য সম্প্রদায়িক বর্ণবাদ এবং রবীন্দ্র বিতর্ক। আখ্যান তৈরি না করে ইতিহাসের এই অধ্যায়কে তুলে আনা।
নারী আর যুদ্ধ, একে অন্যের প্রতিপক্ষ। নারীর সঙ্গে সংঘাতময় রাজনীতির যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। দেখা যায় দ্বন্দ্ব দ্বিমাত্রিক থাকে না, বহুমাত্রিকে ছড়িয়ে যায়। প্রেমের সঙ্গেও এই জটিল দ্বন্দ্ব সাপের মতো কুন্ডলাকার ধারণ করে। যুদ্ধ, প্রেম, আতঙ্ক আর অন্তর্ভেদী কৌতূহল মিলে এক জটিল মহাকাশ তৈরি করেছে। মেলতে চায় আন্তর্জাতিক আকাশ সীমায়। তাই ভিয়েতনাম যুদ্ধের কথা আসে। সমাজের শ্রেণিও চিহ্নিত হয়। ভয় একটাই থাকে, উগ্র জাতীয়তাবাদ ব্যক্তি মানুষকে ভয়ংকর ফ্যাসিবাদী করে তোলে। সাম্যবাদী রাজনৈতিক দর্শনে বিশ্বাসী সলিল চৌধুরীর গণসংগীতের কথা বলা যাবে। সেই অগ্নিঝরা দিনে বাঙালি জাতীয়তাবাদীদের সমান্তরালে রাজপথে লড়াই করেছে সমাজতন্ত্রীরাও। আত্মবলি দান করেছে। মুক্তিযুদ্ধ করেছে। জয়বাংলা স্লোগানের প্রতিস্পর্ধী স্লোগান উঠেছে জয় সর্বহারা। তোমার আমার ঠিকানা, পদ্মা মেঘনা যমুনার পাশাপাশি কি শোনা যায়নি তোমার বাড়ি আমার বাড়ি নকশাল বাড়ি, নকশাল বাড়ি? দেয়ালে কি লেখা হয়নি স্বাধীন জনগণতান্ত্রিক পূর্ববঙ্গ কায়েম কর? জাগো জাগো বাঙালি জাগোর পাশাপাশি কি উচ্চারিত হয়নি, জাগো জাগো সর্বহারা জাগো?
একটি যুদ্ধ একটি বিজয়, একটি পরাজয়, একটি স্বপ্ন, একটি দুঃস্বপ্ন, একটি মৃত্যু, একটি কবর থেকে পুনরুত্থান, একটি অন্তিম অন্ধকার, একটি উদয়াচল, সব জড়াজড়ি করে প্রাচীন কঠিন হিমশিলা হয়ে আছে। স্বাধীনতা আর মুক্তির নামে একজন ব্যক্তি মানুষ আর চলমান সমাজের দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। ব্যক্তির শোক আর মর্মবেদনার সঙ্গে সঙ্ঘবদ্ধ সমাজ মানুষের স্বপ্ন-উল্লাসের অসম সংঘাত তৈরি হয়। ব্যক্তি সর্বহারা হয়, তার হারাবার শোকার্ত সংঘাত কান্না জনতার বিজয় চিৎকারে তলিয়ে যায়। এটিই হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের সর্ববৃহৎ ট্র্যাজেডি। মহাকালের এই নির্মম সত্যকে উদঘাটন জরুরি।
শ্রেণি-বৈষম্য, বর্ণপ্রথা আর ধর্মের দৈত্য এ দেশের জনগণের মধ্যে কোনো দিন পারস্পরিক বন্ধুত্ববোধ বা নাগরিক ভ্রাতৃত্ব তৈরি হতে দেবে না। এর পরপরই নারীর স্বাধীনতা নিয়ে কথা। প্রচলিত পুরুষতান্ত্রিকতাকে চপেটাঘাত করে আরও এগিয়ে রাষ্ট্রচিন্তা এবং সমাজ ভাবনার স্পষ্টতার অভিমূলে চলা। স্বপ্ন, ভালোবাসা, আনন্দ, প্রেম আর যাযাবর মানুষের চিরস্থায়ী ঠিকানার অদৃশ্যে রয়েছে মানবজীবনের চরম বিষাদের ভৌতিক আধিভৌতিক এক অভিশাপ। পান্থশালার রূপকল্পের সঙ্গে জড়িয়ে আছে দেশভাগ। ইতিহাস কাউকে করুণা করে না। করেনি আদি বাসিন্দাদের। দেশান্তর ঘটে তাদের। নতুন মালিকানাও অদল বদল ঘটে। প্রাগৈতিহাসিক সভ্যতার স্মৃতি চিহ্নেরই।
রাজনীতি কেবল সাপের মতো কুণ্ডলায়িতই হয় না, বটবৃক্ষের জটিল গুচ্ছ শোকড়ের মতো রহস্য নির্মাণ করে। কোনটি আসল বৃক্ষকাণ্ড কোনোগুলো শেকড় বুঝাই যায় না। একাত্তরে সে তো পশ্চিম পাকিস্তানে বাংলাদেশের বাঙালি অভিশপ্ত উদ্বৃদ্ধ হয়ে যায়। কেবল পাকিস্তান আর বাংলা ভাগের শিকার উদ্বাস্তু বাঙালি হিন্দু মুসলমানেরই দ্বৈত কণ্ঠস্বর নয়, ইউক্রেনিয়া, ফিলিস্তিনি, রোহিঙ্গাসহ সারা বিশ্ব উদ্বাস্তুর কণ্ঠস্বর। এখানেই বাংলার সংকীর্ণতা ছড়িয়ে আন্তর্জাতিকতার দিগন্তে উঁকি দিতে চায়। অন্য প্রান্তে যুদ্ধ শেষের স্বাধীন বাংলাদেশে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন যুদ্ধ না কি এখনো শেষ হয় নাই?
নিষ্ঠুর নির্মম সত্যের সামনে রক্ত হিম হয়ে আসে, আমরা বঙ্গভঙ্গের ফলে সৃষ্ট বাংলাদেশের নেতা বুদ্ধিজীবী সাহসের সঙ্গে এমনি প্রশ্ন করতে পেরেছিলেন? আশ্চর্য এটাই যে যুদ্ধ শেষে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। কিন্তু ব্যক্তির যুদ্ধ শেষ হয় না। কেন হয় না, এর উত্তর বড় সহজ নয়। কেন না প্রশ্নটি রাজনীতির মতাদর্শের।
লেখক: কথাসাহিত্যিক
