হ্যান্ডবলে স্মরণীয় দিন বাংলাদেশের

আপডেট : ১৮ মে ২০২৩, ০১:৩০ এএম

বঙ্গবন্ধু আইএইচএফ ওমেন্স চ্যালেঞ্জ ট্রফি অনূর্ধ্ব-১৭ বিভাগে শক্তিশালী ভারতকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। গতকাল শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইটা ৪৬-৪৩ গোলে জিতে শিরোপা উৎসবে মেতে ওঠেন বাংলাদেশের মেয়েরা। জাতীয় ও বয়সভিত্তিক কোনো পর্যায়েই কখনোই এর আগে ভারতকে হারানোর অভিজ্ঞতা ছিল না বাংলাদেশের। সাউথ-সেন্ট্রাল এশিয়া জোন-২ এ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুবাদে বাংলাদেশ ইয়ুথ দল খেলবে এই টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় রাউন্ডে। অনূর্ধ্ব-১৭ বিভাগে শিরোপা জিতলেও অনূর্ধ্ব-১৯ বিভাগে ভারতের সঙ্গে পেরে ওঠেনি বাংলাদেশ। একপেশে ফাইনালে ভারত জিতেছে ৪৮-১৭ গোলে।

দুই বিভাগের ফাইনালে স্বাগতিক বাংলাদেশ থাকায় শুরু থেকেই গ্যালারিতে ছিল উপচেপড়া ভিড়। প্রথমে অনূর্ধ্ব-১৭ বিভাগের ফাইনালে গ্যালারিতে থেকে পুরোটা সময় সমর্থন জানিয়ে গেছেন দর্শকরা। যদিও ম্যাচের ভাগ্য দুলছিল পেন্ডুলামের মতো। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে যায়, আবার কখনো স্কোরলাইনের লিড নেয় ভারত। সুবাদে প্রথমার্ধ শেষ হয় ২০-২০ সমতায়। যদিও প্রথমার্ধে একটা সময় অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। ১০-১৬ তে পিছিয়ে থাকা দলটি অবশ্য দারুণভাবে ফিরে আসে। দলকে টেনে তোলার দায়িত্ব নেন অধিনায়ক মারফি, রুনা লায়লারা। দ্বিতীয়ার্ধে ভারতের প্রাধান্য বালাসো মানে লালকার্ড দেখে মাঠ ছাড়ার সুযোগটাই বাংলাদেশ কাজে লাগায়। ৪৪ মিনিটে ভারত ছয়জনের দলে পরিণত হলে ব্যবধান ঘুচিয়ে এগিয়ে যেতে থাকে বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ৪৬-৪৩ গোলে জয় নিশ্চিত হয় স্বাগতিকদের।

অনূর্ধ্ব-১৭ দলের কোচ ও সাবেক খেলোয়াড় ডালিয়া আক্তার ম্যাচ শেষে বলেন, ‘র্টুনামন্টে শুরুর আগে বলেছিলাম চমক দেখাবে আমার দল। সেটাই করে দেখিয়েছে মেয়েরা। এমন পারফরম্যান্সে আমি অনেক খুশি। আমার খেলোয়াড়ি জীবনে কখনো ভারতকে হারাতে পারিনি। প্রথমবার কোচ হয়ে সেই অর্জন ছুঁতে পারলাম। পুরো আসরে অসাধারণ খেলা বাংলাদেশের অধিনায়ক মারফি হয়েছে সেরা খেলোয়াড়। প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘আমি অনেক খুশি। কোচ, সতীর্থ, কর্মকর্তা সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। সবাই আমাদের অনেক সমর্থন করেছেন।’ দুই ফাইনাল শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব সৈয়দ শাহেদ রেজা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত