অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে রামগড় স্থলবন্দরের গুরুত্ব বেনাপোলের চেয়েও বেশি বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম। এই বন্দরের পূর্ণাঙ্গ সুফল পেতে ছয়টি প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। গতকাল মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রস্তাব উত্থাপন করেন তিনি।
প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলো হলো মিরসরাই সদর-নারায়ণহাট সড়ক ৪ লেনে উন্নীত করা, নাজিরহাট-সুয়াবিল-হারুয়ালছড়ি-কাজীরহাট এলজিইডি সড়ক সওজের আওতায় এনে ৪ লেনে উন্নীত করা, নাজিরহাট পুরাতন ব্রিজ ভেঙে নতুনভাবে করা, নাজিরহাট রেললাইনকে আধুনিকীকরণ ও প্রশস্তকরণ এবং বর্ধিত ৩৫ কিলোমিটারের রেললাইন নতুন স্থাপন করে রামগড় পর্যন্ত সংযুক্ত করা, রামগড় স্থলবন্দর থেকে ভারতের ত্রিপুরার ওপর দিয়ে সিলেটের মাধবপুর পর্যন্ত নরসিংদী-মৌলভীবাজার সড়কের সঙ্গে সংযুক্ত করা এবং হাটহাজারী বাজারের ওপর দীর্ঘ ফ্লাইওভার নির্মাণ অথবা বাইপাস সড়ক নির্মাণ।
সংবাদ সম্মেলনে এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম বলেন, রামগড় স্থলবন্দর চালু হলে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য আরও প্রসারিত হবে। রামগড় চালু হলে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে যেসব পণ্য আমদানি-রপ্তানিতে ব্যয় হয় তার চেয়ে আরও কম সময়ে ও কম খরচে আমদানি করা সম্ভব হবে, যা অর্থনৈতিক বিবেচনায় সারা দেশের জন্য ইতিবাচক। মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল, চট্টগ্রাম বন্দর ও মাতারবাড়ীর গভীর সমুদ্র বন্দরের মতো সুফল কাজে লাগাতে রামগড় অধিক ভূমিকা রাখবে।
এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আইইবি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মো. হারুনের সভাপতিত্বে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ক্রীড়া সম্পাদক লায়ন দিদারুল আলম চৌধুরী, হাটহাজারী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম রাশেদুল আলম, ফটিকছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হোসাইন মো. আবু তৈয়ব প্রমুখ।
