ভাতার বিষয়ে বিভ্রান্ত না হতে অনুরোধ বিএসএমএমইউর

আপডেট : ১৫ জুন ২০২৩, ০৫:৪৬ এএম

রেসিডেন্ট ও নন-রেসিডেন্ট চিকিৎসক ও ছাত্রছাত্রীদের ভাতার বিষয়ে বিভ্রান্ত না হয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) বর্তমান প্রশাসনকে সহায়তা করার অনুরোধ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্র্তৃপক্ষ। গতকাল বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালকের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, এসব চিকিৎসক ও ছাত্রছাত্রীদের ভাতার বিষয়ে যে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে তা সমাধানের জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, বকেয়া ভাতা প্রদান, ভাতার পরিমাণ বৃদ্ধিসহ যাতে করে দ্রুত এ সমস্যার সমাধান করা যায় সেই প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্র্তৃপক্ষ আন্তরিকতার সঙ্গে সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রকৃতপক্ষে ২০২২-২৩ অর্থবছরে বরাদ্দ পাওয়া যায়নি বিধায় এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, অর্থ মন্ত্রণালয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে সংসদে বাজেট পেশ করে। পাসকৃত বাজেট বই থেকে বাজেট বরাদ্দের যে তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়কে পাঠানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয় কর্র্তৃপক্ষ সে অনুযায়ী সিন্ডিকেটে খাতওয়ারি বাজেট অনুমোদন করে ও সারা বছরের জন্য খরচ করে। সে অনুযায়ী, ২০২১-২২ অর্থবছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রাপ্য ভাতার সঙ্গে নন-রেসিডেন্ট ছাত্রছাত্রীদের ভাতা প্রদান করা হয়েছিল, তখন ভাতা বাবদ সহায়তা খাতে বরাদ্দ ছিল ১২৮ কোটি ৯০ লাখ ৪ হাজার টাকা। কিন্তু ২০২২-২৩ অর্থবছরে নন-রেসিডেন্ট ছাত্রছাত্রীদের ভাতা প্রদান না করে শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভাতাদি প্রদান করা হয়। সে কারণে এই অর্থবছরে ভাতা বাবদ সহায়তা খাতে বরাদ্দ কমিয়ে ৭৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় আরও জানায়, তারপরও বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ ছাত্রছাত্রীদের জন্য মানবিক বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সম্পূর্ণ নিজস্ব উদ্যোগে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহায় দুটি ভাতার ব্যবস্থা করেন। অথচ উপাচার্যের এরকম মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ না জানিয়ে বরং তার সম্পর্কে আপত্তিকর খবর ও ভিত্তিহীন কথাবার্তা ফেসবুক ও অনলাইন মিডিয়াতে দেওয়া বাঞ্ছনীয় নয়। বিগত অর্থবছরের মতো বর্তমান ২০২২-২৩ অর্থবছরে নন-রেসিডেন্সি ছাত্রছাত্রীদের জন্য মন্ত্রণালয় অর্থ বরাদ্দ করলে তখন তা সমন্বয় করে দেওয়া হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত