রাজবাড়ীর পাংশায় রুনা খাতুন নামে এক প্রবাসীর স্ত্রী খুন হয়েছেন। অন্যদিকে নাটোরের লালপুরে নাজমুল হোসেন (২৬) নামে এক কসমেটিকস ব্যবসায়ীকে ছুরি মেরে হত্যা করা হয়েছে। গত শনিবার রাতের পৃথক সময়ে ঘটনা দুটি ঘটে।
রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নের মুচিদহ খামারডাঙ্গি গ্রামে নিজ বাড়ির উঠান থেকে রুনা খাতুনের হাত-পা বাঁধা মরদেহ গতকাল সকালে উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত রুনা ওই গ্রামের কাতার প্রবাসী আনিছুর রহমানের স্ত্রী। এ ঘটনায় পুলিশ প্রতিবেশী মিলন শেখকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে।
নিহতের চাচা শ্বশুর আতাহার মন্ডল জানান, রুনা তার ১০ বছর বয়সী মেয়ে উম্মে ও দেড় বছরের ছেলেকে নিয়ে এক ঘরে থাকত। গভীর রাতে উম্মের কান্নাকাটি চিৎকারে তাদের ঘুম ভাঙে। তখন বাইরে এসে দেখে রুনার হাত-পা বাঁধা মরদেহ উঠানে পড়ে আছে। উম্মে তাদের জানিয়েছে, রাতে ঘুম ভেঙে গেলে দেখে তাদের মা ঘরে নেই। ঘরের দরজা খোলা। বারান্দায় এসে দেখে মিলন শেখ দাঁড়িয়ে আছে। উম্মে তার মায়ের কথা জানতে চাইলে কৌশলে তাকে টয়লেটে আটকে রেখে মিলন পালিয়ে যায়।
পাংশা থানার ওসি মাসুদুর রহমান বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
এদিকে নাটোরের লালপুরে মোটরসাইকেল গ্যারেজে রাখাকে কেন্দ্র করে কসমেটিকস ব্যবসায়ী নাজমুল হোসেন খুন হয়েছেন। গত শনিবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার নান্দরায়পুর গ্রামের বটতলায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত নাজমুল ওই গ্রামের আজিজ হোসেনের ছেলে।
