বিশ্বকাপের ঠিক আগে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজ বাংলাদেশের। ঘরের মাঠের এ সিরিজকে স্বাভাবিকভাবেই বিশ্বকাপের প্রস্তুতির মঞ্চ ভাবা হবে। এর উল্টোটা হওয়ায় ভুল কিছু নয়। নিউজিল্যান্ড যেমন এ সিরিজে সেরা দলের অনেককেই পাঠাচ্ছে না। বিশ্বকাপ চিন্তা রেখে বাংলাদেশও সেই পথে হাঁটছে। এই সিরিজে বিশ্বকাপ দলের অনেকেই বিশ্রাম নিতে পারেন।
নিকট অতীতে বাংলাদেশ দলের সেরা উন্নতিটা হয়েছে পেস বিভাগে। পাঁচ পেসারে এই বিশ্বকাপ রাঙানোর কথা ছিল। কিন্তু ইনজুরির কারণে এবাদত হোসেন ছিটকে গেছেন টুর্নামেন্ট থেকে। এমন কিছু যেন না হয় তাই আগে থেকেই সতর্কাবস্থায় যেতে চাইছে বাংলাদেশ। তাই নিউজিল্যান্ড সিরিজে ইনজুরি প্রবণ তাসকিন আহমেদ, ইনজুরি থেকে উঠে আসা শরিফুল ইসলাম ও আপাতত ফিট হাসান মাহমুদকে বিশ্রাম দেওয়ার কথা ভাবছে টিম ম্যানেজমেন্ট।
এছাড়া ওয়ানডে অধিনায়ক সাকিব আল হাসান এই সিরিজ থেকে ছুটি চেয়েছেন। তার ছুটি মঞ্জুর হয়েছে কি না তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে মুশফিকুর রহিম ছুটি পেয়ে যাবেন তার দ্বিতীয় সন্তান হওয়ায়। অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার বিশ্বকাপে যাওয়ার আগে পরিবারকে সময় দেবেন। এছাড়া ওয়ানডে দলের অপরিহার্য সদস্য মেহেদী হাসান মিরাজও বিশ্রাম পেতে পারেন এই সিরিজ থেকে।
এই ক্রিকেটারদের বিশ্রাম দিয়ে তুমুল আলোচনায় থাকা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে সুযোগ দেওয়া হতে পারে দলে। বিশ্বকাপের আগে তাকে শেষবারের মতো দেখে নেওয়ার চেষ্টা হবে এটি। এছাড়া সাত নম্বর পজিশনের জন্য প্রস্তুত অপর ক্রিকেটার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতও থাকতে পারেন নিউজিল্যান্ড সিরিজের দলে। ইনজুরি কাটিয়ে দলে ফিরবেন তামিম ইকবাল। অপর ওপেনার হিসেবে বাঁহাতি জাকির হাসানেরও সুযোগ হতে পারে এই দলে।
নিউজিল্যান্ড সিরিজে কিছু ক্রিকেটারকে দেখা এবং নিয়মিতদের বিশ্রামের ব্যাপারে সাকিব বলেন, ‘পরীক্ষা করার অবশ্যই সুযোগ আছে, কারণ বিশ্বকাপ দল দেওয়ার শেষ সময় তো ২৭ তারিখ সম্ভবত। তার আগেই যেহেতু আমরা তিনটা ম্যাচ খেলব নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে তখন আরও এক-দুজনকে দেখতে পারি যারা দলে ফিট করতে পারেন। যদি এমন হয় তবে তারাও বিশ্বকাপ দলে এসে যেতে পারেন।’ এই পরীক্ষায় কাদের সুযোগ আছে এই প্রশ্নে সাকিব বললেন, ‘সবারই সুযোগ আছে।’
