ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় অত্যাবশ্যকীয় স্যালাইন গায়ের মূল্যে বিক্রির নির্দেশ দিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এএইচএম সফিকুজ্জামান বলেছেন, স্যালাইনের গায়ে যে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য দেওয়া আছে, তার চেয়ে এক টাকাও বেশি বিক্রি করা যাবে না। আইন অনুযায়ী ভোক্তা যদি প্রতারিত হয় বা তার কাছ থেকে অতিরিক্ত মুনাফা আদায় করা হয়, তাহলে অভিযুক্তরা যারাই হোক তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া আমাদের দায়িত্ব।
গতকাল বুধবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অধিদপ্তরের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সভায় এ হুঁশিয়ারি দেন মহাপরিচালক। স্যালাইনের মূল্য ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, পাইকারি, খুচরা বিক্রেতা ও সংশ্লিষ্টদের অংশগ্রহণে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় মহাপরিচালক সফিকুজ্জামান বলেন, এমআরপি বা স্যালাইনের গায়ে যেটা লেখা আছে সেটা সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য। এর বাইরে এক টাকাও বেশি বিক্রি করা যাবে না। এমআরপি লেখা আছে ৮৭ বা ৮৮ টাকা। যতক্ষণ মজুদ আছে ততক্ষণ সেই দামেই বিক্রি করতে হবে। স্যালাইন কম আছে আর চাহিদা বেশি আছেÑ এ সুযোগে দাম বাড়ানো যাবে না।
সভায় বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা জানান, সরকারি হাসপাতালগুলোতে চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত স্যালাইন মজুদ রয়েছে। স্যালাইনের সংকট হওয়ার কথা নয়। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে। যারা কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
