ছাত্রীর শ্লীলতাহানির ঘটনায় শিক্ষক গ্রেপ্তার, শাস্তি দাবি

আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১২:১২ এএম

ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগে চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহকারী শিক্ষক শাকিল আরাফাতকে (৩৫) গত সোমবার গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে গতকাল মঙ্গলবার বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করে এবং জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেয়।

এদিকে এ ঘটনায় জেলা প্রশাসন একটি তদন্ত কমিটি করেছে।

ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবার দায়ের করা মামলায় সোমবার বিকেল ৪টার দিকে ওই শিক্ষককে শহরের শেখপাড়ায় তার ভাড়াবাসা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, শাকিল আরাফাতের কাছে শহরের শেখপাড়ায় তার ভাড়াবাসায় প্রাইভেট পড়ত একই স্কুলের দশম শ্রেণির এক ছাত্রী। গত ৪ আগস্ট সকালে প্রাইভেট পড়ে আসার সময় ওই শিক্ষক মেয়েটিকে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীদের কিছু খাতা দেখে দেওয়ার জন্য পরের দিন সকাল সাড়ে ৬টায় আসতে বলেন। ওই ছাত্রী ৫ আগস্ট সকালে শিক্ষকের বাসায় যায়। এ সময় শিক্ষক তার শ্লীলতহানির চেষ্টা করে। একপর্যায়ে ছাত্রীটি শিক্ষককে ধাক্কা দিয়ে ফেলে পালিয়ে আসে।

অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে শিক্ষার্থীরা গতকাল সকাল ১০টার দিকে বিদ্যালয় থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ঘুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয় গিয়ে শেষ হয়। সেখানে তারা জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দেয়।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে, শিক্ষক শাকিল আরাফাত তাদের বিভিন্ন অশালীন কথা বলতেন এবং তার কাছে না পড়লে পরীক্ষায় ফেল করোনার ভয় দেখাতেন।  

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি মাহাব্বুর রহমান জানান, ছাত্রীটির বাবার করা মামলায় শাকিল আরাফাতকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমা জানান, এ ঘটনায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শারমিন আক্তারকে প্রধান করে ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে মঙ্গলবার (গতকাল) থেকে ৪ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত