এবারের বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া পাকিস্তানের শুরুটা হয় বিপরীতমুখী। প্রথম দুই ম্যাচে বাজেভাবে হারার পর আগের ম্যাচে জয়ের মুখ দেখেছে অস্ট্রেলিয়া। অন্যদিকে পাকিস্তান দুই জয়ের পর হেরেছে আগের ম্যাচ। এমন অবস্থায় দুদল নিজেদের চতুর্থ ম্যাচ খেলতে নামছে একে অন্যের বিপক্ষে।
বেঙ্গালুরুতে অস্ট্রেলিয়া কি একাদশে পরিবর্তন আনবে নাকি একই দল নামবে এমন প্রশ্নের উত্তরে অধিনায়ক প্যাট কামিন্স রাখলেন রহস্য। ম্যাচের দিনই জানাবেন একাদশ। এদিকে পাকিস্তানকে একাদশ সাজাতে ভাবতে হচ্ছে। ভারতের বিপক্ষে ভালো শুরুর পরও ছন্দপতন হয় তাদের। শেষ ৮ উইকেট হারায় মাত্র ৩৬ রানের মধ্যে। ওই ম্যাচে পাকিস্তানের ৫ জন আউট হন এক অঙ্কের ঘরে রান করে। তাই ব্যাটিংয়ে আসতে পারে পরিবর্তন।
এদিকে ওপেনার ফখর জামানও থাকছেন না অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ থেকে। হাঁটুর ইনজুরিতে পড়েছেন তিনি। পাকিস্তানের মিডিয়া ম্যানেজার জানান, ‘হাঁটুর ইনজুরির চিকিৎসা চলছে ফখরের, আগামী সপ্তাহে সুস্থ হতে পারেন।’ ফখর এবার বিশ্বকাপে শুধু নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচটি খেলেছেন। আগা সালমানকে নিয়েও আছে শঙ্কা। বুধবার অনুশীলনের পর জ্বর ছিল তার। তার বিষয়ে বলা হয়, ‘গতকাল (বুধবার) অনুশীলনের পর থেকে জ্বরে ভুগছেন সালমান। তবে দ্রুতই সুস্থ হয়ে উঠছেন। স্কোয়াডের বাকি সব খেলোয়াড় ভালো আছেন।’ ফখর ও সালমান খেলতে না পারলে একাদশে ব্যাটিং নিয়ে ভাবতে হবে কোচ মিকি আর্থারকে।
অস্ট্রেলিয়ার প্রথম দুই ম্যাচে হারের অন্যতম কারণ ছিল ব্যাটিং ব্যর্থতা। দলের ব্যাটিং নিয়ে অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক কামিন্স বলেন, ‘বেঙ্গালুরুর মতো ভেন্যুতে ব্যাটিংটা গুরুত্বপূর্ণ। হাই স্কোরিং ম্যাচ হতে পারে। মাঠ ছোট। পিচও ভালোই থাকে (ব্যাটিং সহায়ক)। তাই ব্যাটিংয়ে অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে। আগের ম্যাচে ওপেনাররা যে শুরুটা এনে দিয়েছেন সেটি ম্যাচকে সহজ করে দেয়।’
পাকিস্তানি বোলাররা নিজেদের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারছেন না। মাঝের ওভারগুলোতে বেশি রান দিচ্ছে পাকিস্তান। অস্ট্রেলিয়া এ বিষয়টির সুযোগ নেবে কি না এমন প্রশ্নের উত্তরে কামিন্স বলেন, ‘এ নিয়ে আমাদের বিশেষ কোনো পরিকল্পনা নেই। বেশিরভাগ ওয়ানডেতে জয় নির্ধারিত হয় মাঝের ওভারেই (কেমন করে দল সেই সময়)। সামনে যেই আসুক তাকেই খেলতে হবে। যদি মনে হয় আক্রমণাত্মক হওয়া উচিত সেটিই করতে হবে। যদি মনে হয় সময় নেওয়া প্রয়োজন তাহলে তাই।’
পাকিস্তানি পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি ফর্মে নেই। বিশ্বকাপে ৩ ইনিংসে নিয়েছেন ৪ উইকেট। শাহিনকে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কামিন্স বলেন, ‘সত্যি বলতে আমি খুব একটা দেখিনি (শাহিনকে) তাই এ বিষয়ে বেশি কিছু বলতে পারব না। সে সব সময়ই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। সব সময়ই তিনি হুমকি প্রতিপক্ষের জন্য। আশা করছি কাল (শুক্রবার) সে চুপ থাকবে (পারফর্ম না করা)।’
