অপরাধ দমন করতে থানা পুলিশের পাশাপাশি সামাজিক পুলিশ হিসেবে কমিউনিটি পুলিশ গঠন করা হয়। এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতি ও নিয়ন্ত্রণের জন্যই মূলত কমিউনিটি পুলিশ সদস্যরা কাজ করছেন। থানা পুলিশ তাদের কাজের মনিটরিং করছে সার্বক্ষণিক। এলাকার অরাজনৈতিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিকে সভাপতি করে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের কমিটি গঠন করা হচ্ছে। তাদের কাজের উৎসাহ দিতে প্রতিবছরই ‘কমিউনিটি পুলিশিং ডে’ উদযাপন করে আসছে পুলিশ সদর দপ্তর। অন্যান্য বছর একই সময়ে উদযাপিত হলেও চলতি বছর তা হচ্ছে না বলে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে দেশ রূপান্তরে। গতকাল সোমবার নতুন করে তারিখ চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী ৪ জুন সারা দেশে দিবসটি পালন করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
জানা গেছে, ১৯৯৩ সালে ময়মনসিংহে প্রথম উদযাপন পালন করা শুরু হয় কমিউনিটি পুলিশের। প্রতিবছরের অক্টোবরের শেষ শনিবার দিবসটি পালন হয়ে আসছে। চলতি বছর ২৮ অক্টোবর আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সমাবেশ হওয়ার কারণে তা পেছানো হয়েছে। প্রতিবছরই অভিযোগ ওঠেÑ উদযাপন অনুষ্ঠান কেন্দ্র করে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ‘অনুদান’ উঠিয়ে অনুষ্ঠান কার্যক্রম চালান। এ নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এসব অনুদান ওঠানো বন্ধ করতে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। বিশেষ করে আইজিপি এসব কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। যার কারণে এবার কমিউনিটি পুলিশিং ডে দেশের কোনো থানা এলাকায় করা হবে না বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে। শুধু জেলা, মেট্রোপলিটন ও ইউনিটগুলোতে অনুষ্ঠান করা হবে।
‘পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ’ এ স্লোগান নিয়ে যাত্রা করেছিল কমিউনিটি পুলিশের কার্যক্রম। বর্তমানে ঢাকাসহ সারা দেশে কমিউনিটি পুলিশের কমিটির সংখ্যা ৪৯ হাজার ৫২৯টি।
