সারা দেশে ৪৮ ঘণ্টা অবরোধের মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে বিএনপি-জামায়াতের ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতালে স্বাভাবিক জীবন যাত্রায় কোনো প্রভাব পড়েনি। হরতাল ডাক দিয়ে মাঠে ছিল না বিএনপি-জামায়াতের নেতাকমীর্রা। স্বাভাবিক দিনের মতো নগর ও জেলার সড়কে প্রাইভেট কার, সিএনজি অটোরিকশা, অ্যাম্বুলেন্স, পিকআপ, যাত্রীবাহী বাসসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচল করেছে। তবে মহাসড়কে দূরপাল্লার যানবাহন এবং পণ্যবাহী গাড়ি কম চলতে দেখা গেছে।
চট্টগ্রাম রেলস্টেশন থেকে আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করেছে স্বাভাবিক। নগরের দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, কলকারখানা, সরকারি-বেসরকারি অফিস খোলা আছে। কিছু কিছু দূরপাল্লার বাস কাউন্টার বন্ধ থাকলেও অধিকাংশ খোলা।
এদিকে অবরোধ শুরুর আজ রবিবার (৫ নভেম্বর) সকালে নগরের পতেঙ্গা থানা এলাকায় পোশাক শ্রমিকদের একটি বাসে আগুন দিয়েছে দুবৃর্ত্তরা। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সরেজমিন দেখা গেছে, নগর বিএনপির দলীয় কার্যালয় নাসিমন ভবনের সামনে বিপুল সংখ্যক পুলিশের উপস্থিতি। তবে সেখানে নেই কোনো নেতাকর্মী। যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে নগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে সকাল থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের টহল ও মোড়ে মোড়ে ছিল কড়া নিরাপত্তা।
পতেঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফতাব আহমেদ জানান, ‘সকালে ধুমপাড়া মোড়ে পোশাক শ্রমিকদের একটি বাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। পরে ইপিজেড ফায়ার স্টেশনের একটি গাড়ি এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ আনে। জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে বলে জানান ওসি।
এদিকে হরতালের সমর্থনে সকালে নগরের চান্দগাঁও, ডবলমুরিং, পাহাড়তলী এলাকায় রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপির নেতাকর্মীরা।
