...সজোরে চপেটাঘাত করলেন

আপডেট : ১১ নভেম্বর ২০২৩, ১১:৩৪ এএম

ফয়েজ আহ্মদ। প্রখ্যাত সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। বাংলাদেশ সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠা করেন আর্ট গ্যালারি ‘শিল্পাঙ্গন’। প্রগতিশীল পাঠাগার ‘সমাজতান্ত্রিক পাঠাগার’-এর প্রতিষ্ঠাতা। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) প্রথম প্রধান সম্পাদক অকৃতদার এই কবি ও ছড়াকার মারা যান ২০১২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি। অতীতের সঙ্গে অধুনার সংযোগ ঘটাতে চিন্তা পাতায় ছাপা হলো তার লেখা উপসম্পাদকীয়

অভিযুক্তদের কাঠগড়ার গায়ে লাগানো অংশটুকুর প্রথম আসনেই আমাকে বসতে হলো। দু’রোতে ক্ষুদ্র পরিসরে সাজানো নির্দিষ্ট আট-দশটি চেয়ার ছিল। ডিএফআই-এ বাধা সত্ত্বেও ঢাকার যে ক’জন রিপোর্টারকে বাদ দেয়া যায়নি, তাদের জন্যে এ চেয়ার। সেদিন থেকেই আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা শুরু হচ্ছিল। কুর্মিটোলা সামরিক ছাউনির মধ্যে একটি বিশেষ ক্ষুদ্র কক্ষে সৈন্য দিয়ে ঘেরাও করে এমন ভয়াল পরিবেশে এই মামলা আরম্ভ করা হয় যে, গুটিকয় ম্রিয়মাণ রিপোর্টার যেন নিজেরাই বন্দিশালার বাসিন্দায় পরিণত হয়ে পড়েন। প্রথমে তো এই রাষ্ট্রদ্রোহিতা ও পৃথক রাষ্ট্রের ষড়যন্ত্রকারীদের মামলা আইয়ুব সরকার গোপনেই পরিচালনা করতে চেয়েছিল। বাইরের রাজনৈতিক দাবি ও বিক্ষোভের মুখে ‘প্রকাশ্য বিচারের’ আয়োজন করা হয় সামরিক বাহিনীর আওতায় বেসামরিক বিচারকদের নিয়ে।

এই ষড়যন্ত্র মামলার জন্যে গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কক্ষে বিচারকম-লীর চেয়ারম্যান বিচারপতি এস.এ. রহমান অপর দু’জন বিচারককে নিয়ে যখন প্রবেশ করতেন, তখন যেন পিনপতনের শব্দও নিষিদ্ধ ছিল। বিচারপতি রহমান রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলায় অভিযুক্তদের মুখোমুখি হতেন প্রত্যহ, নিরপেক্ষ বিচারকের পোশাক পরে। অপরদিকে আসামির কাঠগড়ায় নীরবে উপবিষ্ট দৃঢ়চিত্ত পঁয়ত্রিশজন অভিযুক্ত ব্যক্তি তাকে মনে করতেন, আইয়ুবের প্রধান জল্লাদ। রাওয়ালপি-ি মামলা যেমন ক্ষমতার লড়াইয়ে শত্রু নিধনের অভিযান ছিল, আগরতলা মামলাও তেমনি দূরদর্শিতার সাথে ভবিষ্যতের শক্তিশালী সর্বব্যাপী শত্রু ধ্বংসের আয়োজন। যদিও প্রকাশ্যে এই ট্রাইব্যুনালের বিচারকে বেসামরিক বিচার বলে প্রচার করা হয়েছিল; কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সরকারের দিক থেকে সার্বিকভাবে সামরিক কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানেই সবকিছুর আয়োজন ও পরিচালনা করা হয়। বিচারক ও কৌঁসুলিরা বেসামরিক ব্যক্তি হলেও, অভিযুক্তদের আটক রাখার দায়িত্ব ও সরকারি কৌঁসুলিদের ব্রিফ তৈরি করার সমস্ত ব্যাপারটাই ছিল সামরিক বাহিনীর বিশেষ বিভাগের। এমনকি এই মামলার প্রাত্যহিক নিয়ন্ত্রিত বিবরণীও সামরিক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিয়োজিত একজন মেজর বিতরণ করতেন। সংশ্লিষ্ট রিপোর্টারগণ বাধ্য হয়ে তার কাছ থেকেই মামলা সংক্রান্ত সাধারণ তথ্য বা ব্যাখ্যা নিতেন এবং তিনি কড়া নজর রাখতেন এই সমস্ত সাংবাদিকের ওপর।

সব বিশ্বাস, অবিশ্বাস ও গোপন চিন্তাধারাকে উড়িয়ে দিয়ে সে সময় সরকার হয়তো প্রকাশ্যভাবেই দেশের পূর্ব ও পশ্চিম অঞ্চলের প্রশ্নে একটা মনোভাব ব্যক্ত করতে বাধ্য হচ্ছিলেন তা হচ্ছে, জনগণের কাছে সুস্পষ্ট হয়ে ওঠার আশঙ্কা থাকলেও পূর্বাঞ্চলের ব্যাপারে একটা ব্যবস্থা নিতে হবে। শাসকদের এই রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ফলে দু’প্রদেশের মধ্যে শত্রু-মিত্রের, দেশি-বিদেশির চিন্তা আরও সুস্পষ্টভাবে মাথা তুলে উঠল।

ষাটের দশকের শেষের দিকে এমনকি প্রয়োজন বা তাগিদ ছিল, যার জন্যে বাঙালি-পকিস্তানি প্রশ্ন তীব্র করে এই রাজনৈতিক মামলা প্রস্তুত করা হয়? এক দশক পূর্ব থেকে অস্ত্রের মুখে আইয়ুব খাঁ যে সমস্ত প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছিলেন এবং পূর্বাঞ্চলে রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক চাকরিগত আন্দোলন যে পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছিল, তার প্রেক্ষিতে শাসকদের পক্ষ থেকে এ জাতীয় আক্রমণ না আসার কোনো কারণ নেই। আর সে কারণেই সাতষট্টি সালের ডিসেম্বর থেকে এই ‘ষড়যন্ত্র’ মামলার সাথে জড়িত করে গ্রেপ্তার শুরু হয় রাজনৈতিক নেতা, সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন স্তরের লোক ও উচ্চপদস্থ অফিসারদের যারা বাঙালি। চাকরির প্রশ্নের সাথে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয় বিশেষভাবে জড়িত। সে কারণে শাসক কাঠামোর মূল ভিত্তির ওপর যে ক্ষমতা, তা থেকে বাঙালিদের যে-কোনো কৌশলে দূরে রাখার পন্থা অবলম্বন তাদের দিক থেকে ছিল বাঞ্ছনীয় পথ।

তারা জানতেন যে, পরবর্তী নির্বাচনে (’৭০ সালের) পার্লামেন্টে পূর্বাঞ্চলের বাঙালি সদস্যগণ হয়তো সংখ্যাগরিষ্ঠ হবেন এবং আইয়ুবের তাঁবেদার কনভেনশন লীগের অস্তিত্বই লোপ পাওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। ক্রয়যোগ্য ব্যক্তির সংখ্যা সে সময় থেকেই হ্রাস পাচ্ছিল (চির বিশ^স্তের সংখ্যা ক’জন আর)। কিন্তু সরকারের গুপ্ত রিপোর্টের প্রতিষ্ঠানগুলো এ কথা কোনো সময়ই অনুমান করতে সক্ষম হয়নি যে, এই মামলাকে কেন্দ্র করেই দাবানলের অপ্রতিরোধ্য শিখা বিস্তার লাভ করতে পারে। তারা এ কথাও তখন জানতেন না যে, পূর্ব বাংলাকে শোষণ, রাজনৈতিক অধিকার হরণ ও পীড়ন এবং দেশ শাসনের ক্ষেত্রে বঞ্চনার প্রশ্নে সমস্ত দেশপ্রেমিক গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই মামলার মঞ্চ উড়িয়ে দেবে। প্রধান বিচারপতির বাসস্থান পুড়িয়ে দেবে। প্রদেশব্যাপী অবিশ্বাস্য গণঅভ্যুত্থানে বুলেটের মুখে দাঁড়িয়ে জেলখানা থেকে বন্দিদের মুক্ত করবে। মশালের আগুনে লক্ষ লক্ষ উদ্দীপ্ত মানুষের মুখমন্ডল উজ্জ্বল হয়ে উঠবে। ভবিষ্যতে যাতে পূর্ব বাংলায় কোনো উত্থান না হয়, তাদের সর্বক্ষেত্রে দাবির প্রশ্ন যেন না ওঠে, সে জন্যে উপযুক্ত ও চরম শাস্তির ব্যবস্থা করার উদ্দেশ্যে এই মামলা দায়ের করা হয়েছিল। সকল প্রকার আন্দোলন ও ক্ষমতা অর্জনের প্রচেষ্টা স্তব্ধ করে দেয়ার ক্ষমতাসীনদের দর্শন যে ভ্রান্ত, পরবর্তীকালের ইতিহাস তার সাক্ষ্য দিয়েছে। গণঅভ্যুত্থানের প্রবাহে এই মামলার বিচারক পর্যন্ত ভেসে গেছেন; কিন্তু পরাজিত শাসকের আক্রোশ স্তিমিত হয়নি। তারা সেনানিবাসে আটক সার্জেন্ট জহুরুল হককে ঠান্ডা মাথায় হত্যা করেছে। কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেনকে ২৬ মার্চ গণহত্যার শুরুতেই তার বাড়িতে হত্যা করে উল্লসিত হয়েছে। দেশ স্বাধীন হওয়ার অল্প ক’দিন পরেই তারা স্টুয়ার্ড মুজিবকে দিবালোকে রাজপথ থেকে উঠিয়ে নিয়ে গুম করেছে।

আইনের প্রহসনমূলক প্রয়োগের মাধ্যমে করুণাপ্রার্থী বিচারকদের দিয়ে প্রেসিডেন্ট আইয়ুব যে রাজনৈতিক হত্যার আয়োজন করেছিলেন, তারই বিপরীতে মামলার উক্ত পঁয়ত্রিশজন অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রতিরোধ ও নিজস্ব বিশ^াস প্রতিষ্ঠার কথা হয়তো স্থির করেছিলেন। এখানে শাসকের প্রচলিত আইন নিজ স্বার্থে প্রয়োগের কথা নয় অস্তিত্ব ও বিশ্বাসের কথা। জনগোষ্ঠী বা জাতি হিসেবে বেঁচে থাকার অস্তিত্ব এবং নিজের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, সত্ত্বা ও দর্শন নিয়ে মুক্ত মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার বিশ্বাস। এই চেতনা যদি বিদ্রোহ হয়, এই বিশ্বাস যদি ষড়যন্ত্র হয়, তবে নিশ্চিতভাবে কিছুসংখ্যক বিদ্রোহী মানুষের আকাক্সক্ষা ছিল কল্যাণধর্মী ষড়যন্ত্র। করাচি বা ঢাকার গ্রিন রোডের কোনো বাড়িতে ‘বিশ্বাসী’ মানুষগুলোর বৈঠকের কথা ও লেবুনিয়ার পথের যে সমস্ত কাহিনী বিচারে বলা হয়েছিল, তা হয়তো সঠিক নয়। কিন্তু এই মানুষগুলোর বিদ্রোহের আকাক্সক্ষা ও কোনো কোনো সভার কাহিনী সত্য (কিন্তু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দ্বারা বিদ্রোহ সম্ভব ছিল কী না, এ সমস্তই কিছুসংখ্যক বুর্জোয়া শ্রেণির মানুষের চিন্তার ফলশ্রুতি কি না, মার্কসীয় দর্শনের দৃষ্টিকোণ থেকে এ জাতীয় বিদ্রোহ প্রচেষ্টার মূল্য কি অথবা জনগণ রাজনৈতিক দিক থেকে এ জাতীয় বিদ্রোহ প্রচেষ্টার মূল্য কি অথবা জনগণ রাজনৈতিক দিক থেকে এমন একটা পরিস্থিতির জন্যে প্রস্তুত ছিল কি না, এর কোনোটিই এই আলোচনার মধ্যে আনা হয়নি।

এই বিশ্বাসের কথাটা কতদূর সত্য তা সে সময় যাচাই করার বিশেষ কোনো উপায় ছিল না। তবুও একটা পথ বের হলো। একদিন বিরতির সময় শুনলাম, সরকার পক্ষের প্রধান কৌঁসুলি মঞ্জুর কাদেরের কক্ষে যেতে হবে। স্বাভাবিকভাবেই ভয় ছিল কোনো ভুল রিপোর্ট করেছি কি না, আদালত অবমাননার। তিনি বললেন, আপনি প্রধান অভিযুক্ত ব্যক্তি সম্পর্কে ইঙ্গিতে যা লিখেছেন, তাতে কি যথেষ্ট ঝুঁকি নেয়া হয়নি? পরে তিনি অন্য কথা আনলেন। দেখা গেল, অল্পের জন্যে বেঁচে গেছি; আদালতের ক্ষতি হয়নি। তবে তিনি যে ঘটনার কথা অন্যভাবে উল্লেখ করলেন, তা হচ্ছে : ট্রাইব্যুনালের প্রথম দিন সকাল ন’টার পূর্বেই আমরা আসন নিয়েছি। কৌঁসুলিদের পেছনে যে ক’টি বেঞ্চ ছিল দর্শক-শ্রোতা-আত্মীয়দের জন্যে, তার প্রায় সব ক’টিই পূর্ণ করে রেখেছে নিরাপত্তা ও গুপ্ত পুলিশের লোকেরা। আমরা ডানে-বাঁয়ে মাথা নাড়াই না, বিচারকের চাইতে গুপ্ত পুলিশের ভয়ে। বিচারকদের প্রবেশের পূর্ব মুহূর্তে অভিযুক্তদের আনা হলো তাদের জন্যে নির্দিষ্ট ঘেরাও করা এলাকায়। এক নম্বর আসামি শেখ মুজিবের আসন নির্দিষ্ট ছিল রিপোর্টারদের এলাকার পাশেই প্রথমটি। এর ফলে আমার ডান পাশে দেড় গজ দূরেই তার আসন। টুঁ শব্দটি নেই, এখন বিচারকগণ আসবেন। কোথায় কী অপরাধ করে ফেলি, তার ভয়ে সবাই অস্থির।

হঠাৎ আমার নাম ধরে একজন ডাকতে শুরু করলেন একটু চাপা কণ্ঠে। কিন্তু ওদিকে মঞ্জুর কাদের, এদিকে সালাম খান, আতাউর রহমান খান, সামনে বিচারকগণ এসে গেছেন সবাই এই ডাক শুনছেন অস্পষ্টভাবে। সবাই দাঁড়িয়ে বসলাম (জজ সাহেবদের আগমনে দাঁড়াতে হয়), কোনো উপায় নেই। ডাকে কোনো সাড়া দিতে পারি না। কাঁঠালের গুঁড়ির মতো শক্ত হয়ে বসে রইলাম বিচারকদের দিকে চেয়ে। এর পরই শেখ মুজিবের ভারী চাপা কণ্ঠ পুনরায় ভেসে এলো বাংলাদেশে থাকতে হলে শেখ মুজিবের সাথে কথা বলতে হবে, ফয়েজ! আজাদ পত্রিকার বিচার সংক্রান্ত সাধারণ রিপোর্টের অতিরিক্ত আমি যে ‘ট্রাইব্যুনাল কক্ষে’ কলাম লিখতাম, তাতে এই ঘটনার পুরোটা লিখিনি। কিন্তু প্রেস ক্লাবে বিকেলে এসেই সবার মুখে মুখে সেই সতর্কবাণী শুনলাম, বাংলাদেশে থাকতে হলে শেখ মুজিবের সাথে কথা বলতে হবে, ফয়েজ? আরেকদিন সরকারের প্রধান কৌঁসুলি মঞ্জুর কাদেরের কাছে আমাকে যেতে হলো, মেজর নাসের খবর দিলেন। এবার বোধহয় বাঁচার কোনো উপায় নেই! তিনি বললেন আপনি যে ‘ট্রাইব্যুনাল কক্ষে’ কলামটি লেখেন, তার জন্যে যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করেন তো? আশা করি, কোনো ভুল তথ্য পাননি? তা ছাড়া এই কলামে সাধারণত কোর্টের সময়-বহির্ভূত ঘটনার কথা উল্লেখ থাকে অর্থাৎ কোর্ট বসার পূর্বে বা শেষে বা বিরতির সময় যা ঘটে সেসব সম্পর্কেই লিখি। তবে আপনি গতকালকের কাগজে অন্যতম অভিযুক্ত ব্যক্তি ‘স্টুয়ার্ড মুজিবের’ একটি ঘটনা লিখেছেন। সেটা কি সত্য? বললাম নিশ্চিতভাবে সত্য।

এ সমস্ত ঘটনা লেখা নিষিদ্ধ হলে অবশ্যই আমাকে বন্ধ করতে হবে। আপনি ঠিকই বলেছেন। কেউ কেউ গল্প করেন। বাইরের পরিচিত লোকদের ডাকেন। এমনকি সেদিন দেখলাম, দু’জন চেয়ারে বসে ঘুমোচ্ছেন। এদের এই মনোবলের এই উৎকণ্ঠাহীন অবস্থার কারণ কী? অভিযোগ সত্যি বলে, না মিথ্যা, সে জন্যে। পাকিস্তানের প্রখ্যাত আইনজীবী ও প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব কাদের মৃদু হাসলেন সরকারের কাছে যদি প্রাথমিকভাবে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ থাকে, তবে জনসাধারণের কল্যাণের প্রয়োজনে বিচারকের কাছে যেতে হয়। কৌঁসুলি মঞ্জুর কাদের পরোক্ষভাবে জানাতে চেষ্টা করলেন যে, অভিযোগ যতটুকুই হোক, সত্য। (ঈষৎ সংক্ষেপিত)

লেখক: বরেণ্য সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত