এক বিছানায় ১০ প্রিম্যাচিওর শিশু, গাজার আল শিফা হাসপাতালে দুর্যোগ

আপডেট : ১২ নভেম্বর ২০২৩, ১২:৫০ পিএম

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ ভূখণ্ড গাজার সবচেয়ে বড় হাসপাতাল আল শিফার সাথে সব ধরনের যোগাযোগ হারিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে এ আল-শিফা হাসপাতালের সাথে যোগাযোগ হারিনোর তথ্য জানায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। খবর আল জাজিরা।

পোস্টে সংস্থাটি জানায়, "আল শিফা হাসপাতালটি বারবার ইসরায়েলি আক্রমণের কারণে আমরা ধরে নিচ্ছি যে আমাদের পরিচিতিরা কয়েক হাজার বাস্তুচ্যুত লোকের সাথে যোগ দিয়েছে এবং এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে।"

এদিকে বিদ্যুৎ ও পানিবিহীন হাসপাতালটি ঘিরে রেখেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এমন পরিস্থিতিতে অনিশ্চিত অবস্থায় ও জীবন ঝুঁকিতে রয়েছে সেখানে থাকা ৩৭টি প্রিম্যাচিওর বা সময়ের আগে জন্ম নেয়া নবজাতক। ইতিমধ্যে এমন দুই নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে।

হাসপাতালের পরিচালক মুহাম্মদ আবু সালমিয়া আল জাজিরাকে জানান, “আমরা এখানে দুই সন্তানকে হারিয়েছি। এখানে ৩৯ জন শিশু ছিল এবং এখন ৩৭ জন নবজাতক রয়েছে।"

তিনি আরও জানান, "বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং অক্সিজেন ডিভাইসের স্বল্পতার কারণে এই শিশুদের এমন একটি অস্বাস্থ্যকর জায়গায় স্থানান্তর করতে হয়েছিল যা নবজাতকদের জন্য উপযোগী নয়।“

আবু সালমিয়া বলেন, "আমরা ১০টি সময়ের আগে জন্ম নেয়া নবজাতককে একটি বিছানায় রেখেছি কারণ এই শিশুদের নির্দিষ্ট তাপমাত্রা প্রয়োজন, তাদের একটি নির্দিষ্ট শ্বাস এবং ভেন্টিলেটর প্রয়োজন।"

আল শিফা হাসপাতালের পরিচালক আল জাজিরাকে আরও বলেন, "দুর্ভাগ্যবশত, এই শিশুদের ছবি দেখানোর জন্য আমার কাছে ইন্টারনেট সংযোগ নেই। কারণ এই হাসপাতালে যোগাযোগের সমস্ত উপায় এবং ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।"

এদিকে এসব শিশুদের এই হাসপাতাল থেকে সরিয়ে নিতে সহায়তা করতে আহ্বান জানানো হয়েছিল ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীকে। কিন্তু তাদের পক্ষ থেকে কোন সহায়তা আসেনি বলে জানান আল শিফা হাসপাতালের পরিচালক।  

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত