ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার জন্যই ফুড আপ্পি এসব করছে বলে মনে করেন জায়েদ খান। বুধবার দেশ রূপান্তরের সঙ্গে আলাপকালে ঢাকাই ছবির আলোচিত এই অভিনেতা বলেন, মেয়েটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করেছে বলে আমি শুনেছি। যদি এমনটা করে থাকে তাহলে আমি এর নিন্দা জানাই।
অভিনেতা বলেন, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছি তাই বলে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে কেউ নেতিবাচক মন্তব্য করবে এটা আমি মানবো।
জায়েদ খান আরো বলেন, ওই মেয়ে লাইভে এসে প্রাক্তন স্বামীকে নিয়ে কথা বলেছে। সত্য মিথ্যা জানি না। এসব নিয়ে লাইভে এসে কথা বলার মানে কী? নিশ্চয়ই ভাইরাল হতে চায়? এখন তো অনেকেই মনে করে লাইভে এসে কিছু একটা করলেই ভাইরাল হওয়া যায়। এসব মাথা থেকে বাদ দিতে হবে।
ফুডাপ্পির আসল নাম ফাবিহা হাসান মণিষা। তাকে নিয়ে আরজে কিবরিয়ার উপস্থাপনায় একমাসের ব্যাবধানে পরপর দুইটা শো হয়। প্রথম শো এর শিরোনাম ছিল 'আমি কত বোকা ছিলাম।'
মণিষার ওই ভিডিওর পুরো বক্তব্যের সারমর্ম ছিল, তিনি অনেক বোকা ছিলেন। তার প্রাক্তন স্বামী রুহুল আমিন এতটাই চালাক, যে তাকে শুধু ঠকায়, উচ্চকাবিন দেয় না, ২০১৩ সালে মাত্র একলাখ টাকা কাবিনে বিয়ে করে। তাকে প্রচুর নির্যাতন করে, যৌতুক চায়, ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে নাকি একদিন লাথি মারে, অনেক মানুষ দেখে কিন্তু কিছুই বলে না। স্বামীর যৌতুকের দাবি পূরণ করতে গিয়ে নিজের একটা কিডনি পর্যন্ত বিক্রি করে দিতে চান। পরে কি যেন ভেবে আর কিডনি বিক্রি করে না। এরপরে ডিভোর্স হয়।
তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেন মণিষার প্রাক্তন স্বামী। তিনিও আরজে কিবরিয়ার লাইভে আসতে চান। এবং তাকে আনা হয়। রুহুল আমিনের ভাষ্য, আমার প্রাক্তন স্ত্রী মণিষা আমার নামে মিথ্যাচার করছে, যা আমার এবং আমার ৭ বছরের সন্তানের উপরে প্রভাব ফেলছে।
এরপরে ফুডাপ্পি মণিষা এবং রুহুল আমিনকে একই শোতে আনা হলো। তখন দেখা গেল আগের শো-তে ফুডাপ্পি মণিষা যেসব গল্প বলেছিল তার অধিকাংশই বানানো যার প্রমাণ রুহুল আমিন দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। রুহুল আমিন যখন দ্বিতীয় শো-তে মামলা এবং জিডির সবগুলো কপি দেখায়, যেখানে প্রত্যেকটাতেই ফুডাপ্পি মণিষার সাইন আছে, তখন মণিষা এটা স্বীকার করে।
ফুডাপ্পিকে নিয়ে হইচই যে কারণে