যুবদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েলসহ বিএনপি, এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের আরও ২৯ নেতাকর্মীকে কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। এ নিয়ে তিন মাসে পুলিশের ওপর হামলা, নাশকতা, বিস্ফোরণের ৪০ মামলায় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের ৬৮৩ নেতাকর্মীর সাজা হলো।
বেআইনি সমাবেশ, দাঙ্গা ও নাশকতার অভিযোগে রাজধানীর শাহজাহানপুর ও গুলশান থানায় করা পৃথক মামলায় গতকাল বৃহস্পতিবার ওই ২৯ জনকে সাজা দেওয়া হয়।
এর মধ্যে ছয় বছরের বেশি সময় আগে শাহজাহানপুর থানার মামলায় ২০ জনকে দেওয়া হয়েছে তিন বছর করে কারাদন্ড। দন্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন মো. ভাসানী চাকলাদার, মো. মহসীন, মো. হানিফ হোসেন বাবু, মো. বেলাল উদ্দিন, মো. রফিকুল ইসলাম মজনু, মো. তারিকুল ইসলাম জিকির, মো. বাতেন, কাজী মো. জামাল, ইমরান খান ইমন, মো. সোহাগ ভূঁইয়া, আবদুস সালাম খান, আরিফুর রহমান সুজন, শেখ শহিদুল্লাহ টিপু, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, মো. আবদুল্লাহ জামাল চৌধুরী আদিত্য, মো. সেলিম, আহমেদ, হুমায়ূন কবির নাহিদ প্রমুখ। এই মামলায় ৪৪ জনকে খালাস দিয়েছে আদালত।
গুলশান থানায় করা নাশকতার মামলায় দুটি ধারায় বিএনপির ৯ নেতাকর্মীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। এ ছাড়া এক আসামিকে খালাস দিয়েছে আদালত।
সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মেহেদী বাপ্পি, মাইনুল হাসান মিশু, শরিফুল, জাকির হোসেন, মজিবুর রহমান, মামুন চৌধুরী, রুবেল হোসেন, আতিকুর রহমান ও বিল্লাল হোসেন। বেআইনি সমাবেশে ও দাঙ্গার অভিযোগে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে আসামিদের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলা করে পুলিশ। বিচারকালে আদালতে ছয়জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।
