কিশোরগঞ্জে ৯৯৯-এ কল দিয়েও রক্ষা পেল না সাংবাদিকের জমির পাকা আমন ধান। পুলিশ গেলেও সেই পুলিশই সন্ত্রাসীদের ধান কেটে নিতে ‘সহযোগিতা করেছে’ বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক। গত শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে করিমগঞ্জ উপজেলার গুনধর ইউনিয়নের কদিমাইজহাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, কদিমাইজহাটি এলাকায় দৈনিক দেশ রূপান্তরের জেলা প্রতিনিধি শহীদুল ইসলাম পলাশের জমি থেকে জোর করে ধান কেটে নিচ্ছিল সন্ত্রাসীরা। এ সময় করিমগঞ্জ থানাকে অবহিত করলেও পুলিশ কোনো গুরুত্ব দেয়নি। পরে ৯৯৯-এ ফোন দেন পলাশ। এরপর করিমগঞ্জ থানা ডিউটি অফিস থেকে এসআই আসাদুজ্জামানকে বিষয়টি দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
কিন্তু এসআই আসাদুজ্জামান ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রথমে ধান আটক করলেও গুনধর ইউনিয়নের বিট কর্মকর্তা এসআই মাজহারুল ইসলামের মাধ্যমে ‘ম্যানেজ’ হয়ে সন্ত্রাসীদের পক্ষে ধান ছাড়িয়ে নিতে সহযোগিতা করেন।
পরে সাংবাদিক পলাশ সহকারী পুলিশ সুপার (করিমগঞ্জ সার্কেল) এনামুল হককে জানালে তিনি বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিক ওসিকে ফোনে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে করিমগঞ্জ থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, ‘দুয়েক দিনের মধ্যে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিচ্ছি।’
