রাবিতে হঠাৎ কারিকুলাম পরিবর্তন, আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা

আপডেট : ২০ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৭:২২ পিএম

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ) ২০২২-২৩ সেশনের (৮ম ব্যাচ) শিক্ষার্থীদের কারিকুলাম হঠাৎ করেই পরিবর্তন করা হয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন ওই বিভাগের শিক্ষার্থীরা। তাই পূর্বের কারিকুলাম পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন করেছে ৮ম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে তারা এই কর্মসূচি পালন করে। এসময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে ইনস্টিটিউটের ছুটিতে থাকা প্রভাষক এটিএম সাহেদ পারভেজ।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, নতুন কারিকুলাম করায় আমরা বিপাকে পড়েছি। যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। প্রায় তিন মাস ক্লাস করার পর কারিকুলাম পরিবর্তন করায় সেশনজট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আমাদের পূর্বের কারিকুলাম আন্তর্জাতিক মানের ছিল। কিন্তু পরিবর্তন করায় সেই কারিকুলামের সঙ্গে কোনো সামঞ্জস্যতা নেই।

ইনস্টিটিউটের প্রভাষক এটিএম সাহেদ পারভেজ বলেন, ৭টা ব্যাচের শিক্ষার্থীরা একটা সিলেবাস নিয়ে পড়াশোনা করছে। আর নতুন শিক্ষার্থীরা নতুন কারিকুলাম নিয়ে পড়াশোনা করলে জব সেক্টরে তারা সমস্যার সম্মুখীন হবে। আইবিএতে কারিকুলাম পরিবর্তন হয়েছে অথচ আইবিএ শিক্ষকদের হুঁশ নেই, তারা সবজি চাষে ব্যস্ত। আইবিএ’তে যোগ্য শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও প্রশাসন অন্য বিভাগ থেকে নিয়ে এসে ইনস্টিটিউটের পরিচালক পদে বসিয়ে দেয়। এটি কোনোভাবেই কাম্য নয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আইবিএ’এর পরিচালক অধ্যাপক জিন্নাত আরা বেগম বলেন, শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কারিকুলামে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। শুধুমাত্র তাদের মিড-টার্ম পরীক্ষাটা নেওয়া হবে না। অন্য সব ঠিকই আছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম সাউদ বলেন, প্রতিটি বিভাগে সিলেবাস বা কারিকুলাম প্রণয়ন করার জন্য একটা কমিটি থাকে। তারা চাহিদা অনুযায়ী সিলেবাস প্রণয়ন করেন। এরপর সেটি ডিন বরাবর পেশ করেন। ডিন অফিস সেটিকে সিন্ডিকেটে উপস্থাপন করলে সিন্ডিকেট অনুমোদন দেন। এই বিষয়ক একটা কমিটি কাজ করেন, যা একাডেমিক কাউন্সিল নামে পরিচিত। যেখানে অনেক সিনিয়র অধ্যাপক ও বিশেষজ্ঞরা থাকেন। প্রথমত তাদের একাডেমিক কাউন্সিলে যোগাযোগ করা ‍উচিত ছিল।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত