রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) নির্বাচনী এলাকাকে খুব গুরুত্বপূর্ণ আসন হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। এবারের নির্বাচনে আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও আলোচনায় আছেন চারজন। নৌকা প্রতীকের প্রার্থী গোলাম দস্তগীর গাজী (বীরপ্রতীক), কেটলি প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহজাহান ভূঁইয়া,
তৃণমূল বিএনপি থেকে সোনালি আঁশ প্রতীকে তৈমূর আলম খন্দকার ও লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী সাইফুল ইসলাম।
তিনবারের এমপি গোলাম দস্তগীর গাজীর জয়ের ফ্যাক্টর হতে পারে গত ১৫ বছরে তার করা উন্নয়ন কর্মকান্ড। এ ছাড়া স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে সময় দেওয়ার কারণে তিনি জয় পাবেন বলে আশা করছেন। তবে বিতর্কিতদের মদদ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ ছাড়া মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর তার সমর্থকদের হামলার ঘটনায় সমালোচনা রয়েছে তার।
নৌকা প্রতীক না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান ভূঁইয়া। তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান থাকাকালে রূপগঞ্জের মানুষের পাশে ছিলেন। করোনার সময়ও তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। শাহজাহান রূপগঞ্জের সন্তান। গত নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছিলেন। এবার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের পদ ছেড়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচন করছেন তিনি। সাধারণ মানুষ পরিবর্তন চায় এবং এলাকার বাসিন্দা হিসেবে শাহজাহান ভূঁইয়াকে এগিয়ে রাখছেন।
বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত তৈমূর আলম খন্দকার নারায়ণগঞ্জে সিটি করপোরেশন মেয়র নির্বাচন করলেও রূপগঞ্জ থেকে প্রথমবারের মতো নির্বাচন করছেন। তৃণমূল বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন মহাসচিব হিসেবে। তৈমূর আলম খন্দকারের পৈতৃক বাড়ি রূপগঞ্জে হওয়ার কারণে এবারের নির্বাচনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছেন। তিনি রূপগঞ্জের মানুষের জন্য গ্যাস সংযোগের ব্যবস্থা করেছিলেন। এ ছাড়া রূপগঞ্জের মানুষের জন্য তিনি সবসময় কাজ করে গেছেন, এটি তার জয়ের অন্যতম ফ্যাক্টর হতে পারে।
