সেঞ্চুরিয়নে প্রথম দিনটি ছিল প্রোটিয়াদের। দ্বিতীয় দিনে লোকেশ রাহুলের সেঞ্চুরিতে ভারত ফিরে এলেও ডিন এলগারের দারুণ সেঞ্চুরিতে চালকের আসন দখলেই রেখেছে প্রোটিয়ারা। ৮ উইকেটে ২০৮ রান নিয়ে দিন শুরু করা ভারত প্রথম ইনিংসে জড়ো করে ২৪৫ রান। জবাবে ভারতের রান টপকে গিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা লিড নেয় ১১ রানের। দ্বিতীয় দিন শেষে তাদের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ২৫৬ রান।
দুই বছর আগেও দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে সেঞ্চুরিয়নে বক্সিং-ডে টেস্টে অসাধারণ সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন লোকেশ রাহুল। ধারা বজায় রাখলেন এবারও। প্রথম ইনিংসে তার ১০১ রানের প্রতিরোধগড়া ইনিংসের সুবাদেই বোর্ডে ২৪৫ রান জড়ো করে ভারত। ২০১৪ সালের পর থেকে এ পর্যন্ত সেঞ্চুরিয়নে আটটি টেস্ট খেলে একবারই হেরেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। সেটি ওই রাহুলের সেঞ্চুরি রাঙানো ২০২১ বক্সিং-ডে টেস্ট। ৭০ রানে বৃষ্টিবিঘিœত দ্বিতীয় দিন শুরু করা রাহুল সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ১৩৩তম বলে। জেরাল্ড কোয়েটজের বলে মিড উইকেটে দৃষ্টিনন্দন ছক্কা হাঁকিয়ে ক্যারিয়ারের অষ্টম সেঞ্চুরি তুলে নেন রাহুল। ভারতের শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হন ১৩৭ বলে ১০১ রানে। ইনিংস সাজান ১৪ চার ও ৪ ছয়ে। ক্রিকেট ইতিহাসের পঞ্চম সফরকারী ব্যাটার হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে একাধিক সেঞ্চুরি করলেন রাহুল। রাবাদার পাঁচ উইকেটের সঙ্গে ৫০ রানে তিন উইকেট শিকার করে অভিষেক রাঙান পেসার নান্দ্রে বার্জার।
জবাবে নিজেদের প্রথম ইনিংসে প্রোটিয়াদের এগিয়ে রেখেছেন সাবেক অধিনায়ক ডিন এলগার। দ্বিতীয় উইকেটে টনি ডি জর্জির সঙ্গে ৯৩ ও চতুর্থ উইকেটে ডেভিড বেডিংহামের সঙ্গে ১৩১ রানের জুটি গড়েন। নিজের বিদায়ী সিরিজের শুরু করেছেন দারুণ সেঞ্চুরি। ১৪০ বলে ১৯ চারে তিন অঙ্কের উষ্ণ ছোঁয়া পান এলগার। দিনশেষে অপরাজিত থাকেন ২১১ বলে ১৪০ রানের ইনিংস খেলে। টনি ৬২ বলে ২৮ রান করেন। অভিষেক টেস্টেই ফিফটির দেখা পান বেডিংহাম। ৮৭ বলে ৭ চার ও ২ ছয়ে ৫৬ রান করেন তিনি।
