সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

নিশ্চিত জয়

আপডেট : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩, ১১:৪৬ এএম

শফিক সাফি : ঢাকা-১২ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আরও ৫ প্রার্থী। তারা হলেন তৃণমূল বিএনপির মো. নাঈম হাসান, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির শাহীন খান, জাতীয় পার্টির খোরশেদ আলম খুশু, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের (বিএনএফ) মো. আতিকুর রহমান নাজিম ও বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মুহাম্মদ আব্দুল হাকিম।

এই আসনের তথ্য বলছে, ২০০৮ সাল থেকে আসাদুজ্জামান খান কামাল এই আসনে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৪ ও ২০১৮ সালেও তিনি সংসদ সদস্য হন। প্রথমবার তিনি মুখোমুখি হন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা মো. শাহাবুদ্দিনের (পদত্যাগকৃত)। সেবার আওয়ামী লীগের মিত্র জাতীয় পার্টি (জাপা) এ আসনে প্রার্থী দেয়নি। ২০১৪ সালে বিএনপি নির্বাচন বর্জন করেছিল। ২০১৮ সালে যুবদলের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম নিরব নির্বাচন করলেও মাঠেই নামেননি।

ঢাকা-১২ তেজগাঁও, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, হাতিরঝিল, শেরেবাংলা নগর ও রমনার একাংশ নিয়ে গঠিত।

সংসদীয় এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, জাতীয় পার্টি ও তৃণমূল বিএনপির প্রার্থীর কোনো প্রচার কেন্দ্র নেই। আসাদুজ্জামান খানের পোস্টার প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় ঝুলছে। এলাকা জুড়ে তার অসংখ্য ছোট নির্বাচনী ক্যাম্প। জাপার খোরশেদ আলম খুশুর অসংখ্য পোস্টার দেখা গেছে। তৃণমূল বিএনপির নাঈম হাসানের পোস্টারের সংখ্যা তুলনামূলক কম। অন্যদের পোস্টার বা প্রচার চোখেই পড়েনি।

নৌকার হেভিওয়েট প্রার্থী আসাদুজ্জামান খানকে চ্যালেঞ্জ জানানোর মতো প্রার্থী নেই বলে মনে করছেন সাধারণ ভোটাররা। তারা বলছেন, প্রচারণায় নৌকার প্রার্থীই এগিয়ে। বাকি প্রার্থীদের সম্পর্কে নির্বাচনী এলাকার মানুষজনের ধারণাও কম।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত