মরণ গ্রুপে বাংলাদেশ

আপডেট : ০৬ জানুয়ারি ২০২৪, ১২:৪৯ এএম

দক্ষিণ আফ্রিকা টি-টোয়েন্টির পরীক্ষিত শক্তি। শ্রীলঙ্কা ২০২১ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন। তাদের সঙ্গে গত বছরের সুপার টুয়েলভে দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়েকে হারানো নেদারল্যান্ডস। আর আছে এশিয়া থেকে বাছাইপর্ব পেরোনো নেপাল। জুনে যুক্তরাষ্ট্র-ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে এই চার দলের সঙ্গে খেলতে হবে বাংলাদেশকে। বলতেই হবে ২০ দলের এই টুর্নামেন্টে সবচেয়ে কঠিন গ্রুপে পড়েছে বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ৭ জুন ডালাসে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ।

আগামী ৪ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও যুক্তরাষ্ট্রে যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসর। প্রতিযোগিতাটির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ২০টি দল অংশগ্রহণ করবে। প্রতি গ্রুপে পাঁচটি করে দল রেখে তাদের ভাগ করা হয়েছে চারটি গ্রুপে। প্রতি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুই দল উঠবে সুপার এইট পর্বে।

বাছাইপর্ব পেরিয়ে আসা ‘ডি’ গ্রুপের একমাত্র দল নেপাল। বাকি তিনটি গ্রুপেই আছে বাছাইয়ের লড়াইয়ে উতরে যাওয়া একাধিক দল। তারা হলো ‘এ’ গ্রুপের আয়ারল্যান্ড ও কানাডা, ‘বি’ গ্রুপের নামিবিয়া, স্কটল্যান্ড ও ওমান এবং ‘সি’ গ্রুপের উগান্ডা ও পাপুয়া নিউগিনি। ভারত ও পাকিস্তান পড়েছে একই গ্রুপে। তারা খেলবে আয়ারল্যান্ড, কানাডার সঙ্গে। বি গ্রুপে আরও আছে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। ‘সি’ গ্রুপে নিউজিল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আফগানিস্তানের সঙ্গে পড়েছে উগান্ডা ও পাপুয়া নিউগিনি।

প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দল নিয়ে হবে সুপার এইট। সেখানে দলগুলো খেলবে দুটি গ্রুপে ভাগ হয়ে। প্রথম পর্বের গ্রুপিং থেকেই ওই দুই গ্রুপের সম্ভাব্য একটি চিত্র পাওয়া যায়। কারণ, আগে থেকেই তাদের অবস্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। ‘এ১’ ধরা হয়েছে ভারতকে, ‘এ২’ ধরা হয়েছে পাকিস্তানকে। একইভাবে ইংল্যান্ড ‘বি১’, অস্ট্রেলিয়া ‘বি২’, নিউজিল্যান্ড ‘সি১’, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘সি২’, দক্ষিণ আফ্রিকা ‘ডি১’ ও শ্রীলঙ্কা ‘ডি২’ হিসেবে বিবেচিত হবে; অর্থাৎ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বা রানার্সআপ হওয়ায় নির্ধারিত অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হবে না।

এই আট দলের বাইরে কোনো দল সুপার এইটে উঠলে তারা বাদ পড়া দলটির নির্ধারিত অবস্থান গ্রহণ করবে। যেমন দক্ষিণ আফ্রিকার বদলে বাংলাদেশ গ্রুপ পর্ব পার হলে তারা হবে ‘ডি১’, শ্রীলঙ্কার জায়গা নিলে টাইগাররা হবে ‘ডি২’।

এশিয়ার সাত দলের পাঁচটিরই ম্যাচ রাখা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে ক্রিকেটের প্রসার ঘটাতে এবং সেখানে অবস্থানরত বিশালসংখ্যক এশিয়ান প্রবাসীর কথা মাথায় রেখে এমনটা করা হয়েছে। তবে রাজনৈতিক দিক থেকে ‘সম্ভাব্য স্পর্শকাতর’ বিবেচনায় আফগানিস্তানের কোনো ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রে নেই।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত