যুক্তরাষ্ট্র-উইন্ডিজে অনুষ্ঠেয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভালো সুযোগ আছে বলে মনে করেন সাকিব আল হাসান। সাম্প্রতিক সময়ে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে বাংলাদেশ ভালো করছে। তাই জুনে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপ নিয়ে আশাবাদী বাংলাদেশ অধিনায়ক, ‘যেহেতু টি-টোয়েন্টি সংস্করণ, শেষ এক বছর আমরা খুব ভালো খেলেছি। দলটা এখন ভারসাম্যপূর্ণ, ছন্দেও আছে। সবাই ভালো খেলছে। নিউজিল্যান্ডেও ভালো খেলেছে। প্রত্যাশা তো বেশি থাকবেই। খেলা হবে যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে। যেখানে হয়তো আমাদের ক্রিকেটটা বেশি মানানসই হবে। তো আমাদের সুযোগ আছে।’
জাতীয় নির্বাচনে মাগুরা-১ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে ঢাকায় ফেরার পর গতকাল বিপিএল দল রংপুর রাইডার্সের হয়ে বসুন্ধরা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে অনুশীলন করেছেন সাকিব। এরপর সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন তিনি। নির্বাচনী প্রক্রিয়া শেষে দ্রুত ঢাকা ফিরে মাঠে নেমে পড়ার কারণ হিসেবে সাকিব জানান, ‘বিপিএল শুরু হচ্ছে প্রস্তুতি লাগবে, প্রায় আড়াই মাসের মতো মাঠের বাইরে কোনো ফিটনেসের কাজ করিনি, স্কিলের কাজ করতে পারিনি। তাই স্বাভাবিকভাবে রেডি হওয়ার জন্য তো সময় লাগবে। সে কারণেই সময় নষ্ট করতে চাইনি।’
তবে এখনই অনুশীলন শুরু করলেও, পুরো ফিটনেস ফিরে পেতে কিছুদিন সময় লাগবে বলেও জানান সাকিব, ‘ইনজুরিতে ছিলাম, তাই মিস করার চান্স ছিল না। মানে আমি ফিট থাকলেও তো খেলতে পারতাম না। সুতরাং ইনজুরিতে যেহেতু ছিলাম, মিস করার সুযোগ আসেনি। অনুশীলন শুরু করেছি, আরও কিছুদিন সময় লাগবে। ইনজুরিও ছিল আঙুলে, সময় তো লাগবে বোলিংয়ে স্বাভাবিক হতে। বাট উন্নতি হচ্ছে।’
বিপিএলের প্রথম ম্যাচ থেকেই খেলার ব্যাপারে সাকিবকে আশাবাদী মনে হলো। রংপুরের মতো সাকিবেরও বিপিএল নিয়ে একটাই লক্ষ্য শিরোপা জেতা। তার কথা, ‘রংপুর রাইডার্স কি অন্য কোনো চিন্তা করেছে, ইয়ে (চ্যাম্পিয়ন) ছাড়া? স্বাভাবিকভাবেই তাদের দলটা ভালো আছে। আমার মনে হয়, ভারসাম্যপূর্ণ দল। একই সঙ্গে অন্যান্য দলও শক্তিশালী। যেহেতু রংপুর রাইডার্স প্রতি বছরই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য দল করে, এ বছরও তাদের সেটাই লক্ষ্য থাকবে।’
জাতীয় দলের অধিনায়কত্বও নিয়েও বিসিবির কোর্টে বল ঠেলে দিয়েছেন সাকিব, ‘এগুলো নিয়ে এখনো কথা হয়নি। তবে বোর্ডের সঙ্গে কথা হবে। তখন আলোচনা হবে। এরপর সবাই মিলে যেটা ভালো মনে করবে, সেটাই সিদ্ধান্ত নেবে।’
