বিসিএস ৪৩তম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ নন ক্যাডার চাকরি প্রার্থীরা নতুন পদ্ধতিতে সদ্য প্রকাশিত ফলাফল বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে ফলপ্রত্যাশীরা বলেন, ৪৩তম বিসিএসে ১ হাজার ৩৪২টি পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হলেও সুপারিশ করা হয়েছে মাত্র ৬৪২টি পদে। এ ছাড়া শ্রম অধিদপ্তরের ৯ম গ্রেডের সহ পরিচালক ১৪টি পদ, ১১তম গ্রেডের জনসংখ্যা ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ছয়টি পদ, ১২তম গ্রেডের শ্রম কর্মকর্তা পাঁচটি পদ এবং অর্থ বিভাগের এসএএস সুপারিনটেনডেন্ট ২৯টি পদ অর্থাৎ মোট ৫৪টি পদ ৪৩তম বিসিএস থেকে প্রত্যাহার করে নিয়ে আমাদের সঙ্গে চরম প্রহসন করা হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের গত মে মাসে প্রকাশিত সরকারি কর্মচারীদের পরিসংখ্যান ২০২২ এর তথ্যমতে বিসিএস এর মাধ্যমে পূরণযোগ্য প্রায় লক্ষাধিক পদ খালি আছে। আমরা মনে করি আমাদের সঙ্গে এ বৈষম্যের পেছনে আন্তরিকতার অভাব ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতাই দায়ী। অথচ বিপিএসসির ৪১তম বিসিএস এর নন ক্যাডার রেজাল্ট দিয়ে স্বল্পতম সময়ে ৪৩তম বিসিএস এর ক্যাডার ও নন ক্যাডার রেজাল্ট যদি একত্রে না দিত এবং অন্তত ৩ মাস সময় নিয়ে ৪৩তম বিসিএসের নন ক্যাডার রেজাল্ট দিত তাহলে আমরা মনে করি ৩৮, ৪০, ৪১তম বিসিএসের মতো আমরাও অধিক সংখ্যাক নিয়োগ পেতাম।
সংবাদ সম্মেলনে ফলপ্রত্যাশীরা আরও বলেন, এখন এই ৪৩তম বিসিএস এর নন-ক্যাডার প্রার্থীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ না করা এবং ফলাফল প্রকাশের আগেই নন ক্যাডার প্রার্থীদের পছন্দ ক্রম আহ্বান করা সংশ্লিষ্ট নন ক্যাডার নিয়োগ বিধিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এটি অনাকাক্সিক্ষত এবং দুঃখজনক। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে মেধাবী হাজার হাজার উত্তীর্ণ চাকরি প্রার্থীদের বিষয়টি স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন করা বিএসসির সাংবিধানিক দায়িত্ব। তাই আমরা আশা করি আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যেই ৪৩তম বিসিএস নন ক্যাডারের ফলাফল বাতিল করে ৪৩তম বিসিএস নন ক্যাডার প্রার্থীদের মেধা তালিকা প্রকাশ করবেন।
