বিকেলের মধ্যে স্বাভাবিক হবে চট্টগ্রামের গ্যাস সরবরাহ। এর আগে গতকাল রাত ১০টার থেকে পাইপ লাইনে গ্যাস সরবরাহ শুরু হলেও নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পুরোদমে গ্যাস পাওয়া যাচ্ছিল না। পরবর্তীতে সকাল থেকে গ্যাসের চাপ আরো বাড়তে থাকে। ধীরে ধীরে তা পুরোদমে ফিরে আসতে আরো দুই ঘন্টা সময় লাগতে পারে বলে রুপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কর্তৃপক্ষ ও কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি কর্তৃপক্ষ জানায়।
আজ দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাসের এলএনজি বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক সাইফুল্লাহ কবির দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘গ্যাস লাইন একবার খালি হয়ে গেলে তা পুরোপুরি পূরণ হতে অনেক সময় লাগে। গতকাল রাত ১০টা থেকে ধীরে ধীরে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। মহেশখালী থেকে ধীরে ধীরে গ্যাসের চাপ বাড়ানো হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। বিকেলের মধ্যে তা ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হবে বলে আশা করছি।’
এদিকে সকাল থেকে অনেক এলাকায় গ্যাসের লাইনে কম চাপে গ্যাস পাওয়া গেলেও বেশিরভাগ এলাকায় গ্যাস ছিল না। তবে সময় বাড়ার সাথে সাথে কমে আসে গ্যাসের দুর্ভোগ। অপরদিকে সিএনজি স্টেশনগুলোতেও গ্যাস সরবরাহ সকাল থেকেই শুরু হয়েছে। কিন্তু গ্যাসের চাপ কম থাকায় দীর্ঘ সময় লাগছে গ্যাস নিতে। এতে সিএনজি স্টেশনগুলোতে গাড়ির দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। গতকালের মতো আজো নগরীতে সিএনজি অটোরিকশার উপস্থিতি কম। এতে মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে।
বিকেলের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের প্রকৌশল বিভাগের মহাব্যবস্থাপক শফিউল আজম খান বলেন, ‘নগরীর বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে। তবে পুরোদমে গ্যাসের চাপ বিকালের মধ্যে পাওয়া যাবে। মহেশখালীতে থেকে গ্যাস আসছে।’
গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে মহেশখালীতে ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে বৈদ্যুতিক ক্রুটি দেখা দেওয়ায় চট্টগ্রাম অঞ্চলে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। গতকাল শুক্রবার দিনভর গ্যাস না পেয়ে মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছে। বিদেশ থেকে আমদানিকৃত এলএনজি গ্যাস খালাস করা হয় মহেশখালীতে ভাসমান টার্মিনালে। সেই টার্মিনাল থেকে পাইপের মাধ্যমে উপকূলের রিজার্ভারে চলে আসে গ্যাস। মহেশখালী উপকূল থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরে ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে।
মন্ত্রীর নির্দেশের পরও বাজারে কমেনি চালের দাম