ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে সোহাগী ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. আজিজুল হকের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে ওই ইউনিয়নের বড় তারাকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রাতেই নয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত পাঁচজনকে আসামি করে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন ওই ইউপি সদস্য।
অভিযুক্তরা হলেন, একই এলাকার মামুন মিয়া, মামুনের মেয়ে মমতা বেগম ও ছেলে সাব্বির মিয়া, আলমগীর, আলমগীরের স্ত্রী রিতা আক্তার, শাহ আলম, মো. হুমায়ুন, জামান মিয়া ও জয় মিয়া।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সপ্তাহখানেক আগে মামুন মিয়া ও হুমায়ুন মিলে পার্শ্ববর্তী এলাকার জলিল মিয়া নামক এক ব্যক্তিকে চোর সন্দেহে আটক করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে খবর দিলে তিনি সেখানে যান। এরপর স্থানীয় লোকদের সম্মতিতে তিনি জলিল মিয়াকে ছেড়ে দেন। এতেই ক্ষিপ্ত হন মামুন মিয়া ও হুমায়ুন। গত বৃহস্পতিবার রাতে মামুনের সঙ্গে দেখা হয় জলিলের। তখন আগের ঘটনা নিয়ে দুজনের মধ্যে বাগ্বিত-া এবং একপর্যায়ে হাতাহাতি শুরু হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের সরিয়ে নিলে জলিল বাড়ি চলে যান। এদিকে মামুন বাড়ি ফিরে দলবল নিয়ে ওই ইউপি সদস্যের বাড়িতে হামলা চালান।
ইউপি সদস্যের ভাষ্যমতে, মামুন বলে ওইদিন জলিলকে ছেড়ে দেওয়ায় তাকে মারার সাহস পেয়েছে, এজন্য তার বাড়িতে হামলা চালিয়েছে। হামলার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে। তবে বাড়িতে থাকা আলমগীরের স্ত্রী অভিযুক্ত রিতা আক্তার বলেন, ‘ওই মেম্বার যা অভিযোগ করছে সব মিথ্যা। সে নিজে এগুলো ভেঙে আমাদের ওপর দোষ চাপিয়ে দিয়েছে।’
ইউপি সদস্য আজিজুল হকের স্ত্রী হারেছা খাতুন বলেন, ‘দলবলের সঙ্গে রিতাও আসে। হামলা চালিয়ে পুরুষরা পালিয়ে গেলেও আমরা রিতাকে ধরে পুলিশে খবর দিই।’ ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি মুহাম্মদ মাজেদুর রহমান বলেন, ‘ইউপি সদস্যের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’
