মহাসড়কে পণ্যবাহী যানবাহনে চাঁদাবাজির সময় নারায়ণগঞ্জে ২৫ জন এবং রাজশাহীতে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। র্যাব-১১ ও র্যাব-৫-এর পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে গতকাল সোমবার পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের বেশকিছু রসিদ উদ্ধার করা হয়।
র্যাব-১১-এর বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত রবিবার নারায়ণগঞ্জ জেলার বিভিন্ন প্রবেশমুখ থেকে তাদের হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৩ চাঁদাবাজকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড ও ১২ জনকে অর্থদন্ডে দন্ডিত করা হয়।
কারাদ-প্রাপ্তরা হলেন জুয়েল আহমেদ (৩০), শফিকুল ইসলাম (২৭), আবদুর রহমান (৩০), আশরাফ উদ্দিন (৪০), খলিল (৪০), ওমর ফারুক (২৮), হাসান মাসুম (৪০), বিপ্লব খান (২৯), ফরহাদ (২৮), আসিফ (২১), ওমর ফারুক (৪০), আতিকুর রহমান (৪৫) ও মারুফ হোসেন (২৮)।
অর্থদ-প্রাপ্তরা হলেন কবির হোসেন (২৮), রানা (৩০), রাজিব (৩০), দিপু (১৯), সাদ্দাম হোসেন (১৮), সুমন খান লাল (৩২), আবদুর রহমান মুন্না (৪০), সোহেল (৩৫), আল আমিন (৩৫), ইকবাল (৪৫), রকিবুল হাসান (২৬) ও রাসেল (২৫)।
র্যাবের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সম্প্রতি পণ্যবাহী যানবাহনে চাঁদাবাজির কারণে অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম। সড়ক-মহাসড়কে এসব বাড়তি খরচের খেসারত দিতে হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের। তাই জনগণের স্বার্থে এ অভিযান চালানো হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করেছেন, তারা তথাকথিত ইজারাদারদের নির্দেশে চাঁদা আদায় করে। চালকরা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের গাড়ি ভাঙচুর, মারধরসহ প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
এদিকে র্যাব-৫-এর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজশাহীর বাইপাস সড়কের ট্রাক টার্মিনাল ও কাটাখালী এলাকায় রবিবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে সাত চাঁদাবাজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা রাজশাহীর বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়কে ব্যারিকেড দিয়ে চলমান যানবাহন থেকে চাঁদাবাজি করে আসছিল।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন আখতারুজ্জামান হেলেন (৪৯), আবদুর রাজ্জাক (৪৭), আবদুল কুদ্দুস (৫৫), মো. মিন্টু (৩৬), আশরাফুল ইসলাম (৩২), মানিক আলী (৩৮) ও দুরুল হুদা (৩৮)। তাদের বিরুদ্ধে মামলার পর শাহমখদুম ও কাটাখালী থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
