গত বছরের ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট সহিংসতার ছয় মামলায় জামিন পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাস। গতকাল সোমবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুলতান সোহাগ উদ্দিন শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। তবে একই ঘটনায় আরও তিন মামলায় তার জামিনের আবেদন নামঞ্জুর হয়েছে।
২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঘটনায় রমনা, পল্টনসহ বিভিন্ন থানায় বিএনপির নেতাকর্মীদের নামে ১১টি মামলা হয়। এর সবকটিতে মির্জা আব্বসকে আসামি করা হয়। এসব মামলার মধ্যে দুটি মামলায় তাকে ঘটনার পরই গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গত ১ ফেব্রুয়ারি পল্টন ও রমনা থানায় করা নয় মামলায় মির্জা আব্বাসকে গ্রেপ্তার (শ্যোন অ্যারেস্ট) দেখানোর আবেদনের পর তা মঞ্জুর করে আদালত। এর ধারাবাহিকতায় মির্জা আব্বাসের জামিন শুনানি হয়। গতকাল পল্টন থানার পাঁচ মামলার মধ্যে চারটিতে এবং রমনা থানার চার মামলার দুটিতে জামিন পান তিনি।
মির্জা আব্বাসের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জয়নুল আবেদীন মেসবাহ ও মহিউদ্দিন চৌধুরীসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী। অ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ছয়টি মামলায় জামিন পেলেও পল্টন ও রমনা থানার আরও তিনটি মামলায় মির্জা আব্বাসের জামিন নামঞ্জুর হয়েছে। অর্থাৎ তাকে মুক্তি পেতে আরও পাঁচটি মামলায় জামিন নিতে হবে। আর যে তিনটি মামলায় জামিন নামঞ্জুর হয়েছে সেগুলোর বিষয়ে ঢাকা মহানগর দায়রা আদালতে আবেদন করা হবে।’ এদিকে পল্টন ও রমনা মডেল থানার পৃথক দুই মামলায় বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন স্বপন একই আদালত থেকে গতকাল জামিন পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী মহিউদ্দিন চৌধুরী। গত বছরের ৩১ অক্টোবর রাতে ঢাকার শহীদ বাগের বাসা থেকে মির্জা আব্বাসকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। এরপর ১ নভেম্বর আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
