যশোরের অভয়নগরে যুবলীগের এক নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। নিহত মুরাদ হোসেন নওয়াপাড়া পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড শাখা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাহাবুল ইসলামের ছেলে।
অভয়নগর থানার ওসি আকিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, রবিবার রাত ১০টার দিকে নওয়াপাড়া বাজার থেকে ৪ নম্বর ওয়ার্ড তরফদার পাড়ার বাড়ির দিকে পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথে স্থানীয় কবরস্থানের কাছে তার ওপর হামলা হয়। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তিনি মারাত্মক জখম হন। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় অভয়নগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। রাত ১২টায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ মর্গে নেওয়া হয় রাতে।
নিহত মুরাদ হোসেনের ভাই বি এম ফরহাদ হোসেন বলেন, স্থানীয় মুখচেনা সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যা করেছে। এর আগেও দুই বার তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়। তিনি দাবি করেন, নওয়াপাড়া নৌ-বন্দরের ঘাট দখল ও যুবলীগের কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বে এ ঘটনা ঘটতে পারে।
নিহতের বোন লিলিমা বেগম বলেন, মুরাদ আওয়ামী লীগ নেতা ব্যাচা অধিকারীর অনুসারী ছিল। ভাই হত্যাকাণ্ডের জন্য তিনি সালাম কমিশনার, শাহীন ও রিপন গাজীর নাম উল্লেখ করে তাদের বিচার দাবি করেন।
অভয়নগর থানার ওসি জানান, মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ মর্গে রয়েছে। কারা এ ঘটনার সাথে জড়িত তার তদন্ত চলছে। এখনও পর্যন্ত পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ করা হয়নি থানায়।
