চবিতে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ আহত ১৫

আপডেট : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০২:৪৭ এএম

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শাখা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে বিজয় এবং সিক্সটি নাইন নামে দুই গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। এর মধ্যে চারজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারের চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. মোহাম্মদ আবু তৈয়ব।

জানা যায়, গত ১২ ফেব্রুয়ারিতে জীববিজ্ঞান অনুষদের সামনে বিজয় গ্রুপের কর্মী কামরুল ইসলাম নিজের গ্রুপ ত্যাগ করে সিক্সটি নাইন গ্রুপে যোগদানের কারণে সিক্সটি নাইনের কর্মীদের হাতে মারধরের শিকার হন। এ ঘটনার জের ধরে বুধবার রাতে সংঘর্ষে জড়ায় দুই গ্রুপের নেতাকর্মীরা। রাতের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই গতকাল দুপুরে আবারও সংঘর্ষে জড়ায় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। কয়েক ঘণ্টাব্যাপী চলে উভয় গ্রুপের সংঘর্ষ।

এ সময় ছাত্রলীগের বিজয় গ্রুপের নেতাকর্মীরা সোহরাওয়ার্দী মোড়ে এবং সিক্সটি নাইন গ্রুপের নেতাকর্মীরা শাহজালাল হলের সামনে এবং আমানত হলের মাঠে অবস্থান নেয়। পরে উভয় গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় উভয় গ্রুপের ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের দেশীয় অস্ত্রের মহড়া দিতে দেখা যায়।

বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারের চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. মোহাম্মদ আবু তৈয়ব বলেন, এখানে ১৫ জন চিকিৎসা নিতে এসেছে। এর মধ্যে চারজনের অবস্থা গুরুতর ছিল। তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

এ ব্যাপারে বিজয় গ্রুপের নেতা মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘আমাদের একজন কর্মীকে আগের ঘটনার জের ধরে আজ (গতকাল) পিঠা উৎসবে সিক্সটি নাইন গ্রুপের কর্মীরা মারধর করে। সেই মারধর থেকে রূপ নেয় সংঘর্ষে। তারা ইচ্ছা করেই ঝামেলা তৈরি করেছে।’

তবে সিক্সটি নাইন গ্রুপের নেতা সাঈদুল ইসলাম সাঈদ বলেন, ‘জীববিজ্ঞান অনুষদে আমাদের কর্মীদের সঙ্গে ঝামেলায় জড়ায় বিজয়ের কর্মীরা। এ সংঘর্ষে আমাদের কর্মীদের বিজয় গ্রুপের পক্ষ থেকে বারবার উসকানি দেওয়া হয়েছে।’

বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর ড. নুরুল আজিম সিকদার বলেন, ‘দুই গ্রুপের মধ্যে তুচ্ছ বিষয়ে সংঘর্ষ ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি। পরে পুলিশের সহায়তায় পরিস্থিতি স্থিতিশীল করা হয়েছে। তাছাড়া সংঘর্ষ এড়ানোর জন্য প্রশাসন তৎপর রয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত