শেরপুরে পচে গেছে ২০০ একর জমির ধানের চারা

আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০৩:৩১ এএম

শেরপুরে পাঁচটি গ্রামের গ্রায় ২০০ একর জমির চলতি বোরো ধানের চারা গাছে পচন ধরেছে। ফলে এসব জমি থেকে কোনো ফসল না পাওয়ার আশঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ওইসব এলাকার শতাধিক চাষী।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা দাবি করছেন, চারা গাছ পচে যাওয়ার বিষয়ে স্থানীয় কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের অবহেলা, সময়মতো পরামর্শ না দেওয়া এবং নিম্নমানের ধানের বীজ রোপণ কারণ হতে পারে।

সরেজমিনে দেখা যায়, শেরপুর সদর উপজেলার পাকুরিয়া ইউনিয়নের খামারপাড়া, বাধাপাড়া, বাটিয়াপাড়া, পূর্বপাড়া, ফকিরপাড়াসহ পাঁচটি ট্রামের কৃষক সৌকত আলীর আড়াই একর, সোহাগ মিয়ার দুই একর, আজহার আলীর দুই একর, ইব্রাহীমের এক একর, আঁতর আলীর দেড় একর, মহেজ আলীর দুই একর, কাজলের পাচ কাঠা, মুরাদের ১০ কাঠা, চুন্নুর ১০ কাঠা, সোহেলের এক একর, লান্ডুর দেড় একর, মুসলিমের দেড় একর, আনসার আলীর এক একরসহ শতাধিক কৃষকের প্রায় দুইশত একর বোরো ধানের চারায় পচন ধরেছে।

দেড় মাস আগে স্থানীয় কৃষকরা তাদের জমিতে বোরো ধানের চারা রোপণ করেন। কিন্তু ওইসব চারাগুলো বর্ধনশীল হয়নি। সেই সঙ্গে পাতাগুলো হলুদ রঙে বিবর্ণ হয়ে যাচ্ছে এবং চারার গোড়ায় পচন ধরেছে। ফলে ওই ইউনিয়নের পাচটি গ্রামে প্রায় শতাধিক কৃষক হতাশ হয়ে পড়েছেন।

বাংলাদেশ কৃষক সমিতি শেরপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক সোলাইমান আহাম্মেদ বলেন, কৃষি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ হলে তারা বলেন নিম্নমানের বীজের কারণে এমন হয়েছে। তাহলে আমাদের কথা হচ্ছে এই নিম্নমানের বীজ বাজারে কেন বিক্রির অনুমতি দিল কৃষি বিভাগ। তাই সরকারের কাছে আমাদের দাবি ধানের চারা মরে যাওয়ার মূল কারণ উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

তবে কৃষি বিভাগ বলছে ভিন্ন কথা। উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মনোয়ার হোসেন মোল্লা বলেন, চারারোপণে কৌশলগত ভুল এবং যখন চারাগুলো রোপণ করা হয়েছিল তখন প্রচ- শীত ছিল। এ ছাড়া ব্রি-২৯ বীজের বিষয়েও তারা সন্দেহ করছেন। তাই এমনটা হয়ে থাকতে পারে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত