‘আমার ভাগ্নেরা এখনও ছাদে আছে। কিন্তু একটা ক্রেন দিয়ে মানুষ নামাইতাছে। ছাদে অনেক লোক আছে। আরও ক্রেন আনতে বলেন।’ এভাবে বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ডে ভবনের সামনে কান্নায় আহাজারি করছিলেন সাইফুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টা ৫০ মিনিটে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তর থেকে ডিউটি অফিসার এরশাদ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
সাইফুল ইসলাম দেশ রূপান্তরকে বলেন, আমার ভাগিনার সাথে ফোনে কথা হচ্ছে। কাচ্চি ভাই তে কাজ করে। আগুনের দোয়ায় তারা সবাই ছাদে চলে যায়। কিন্তু ছাদ থেকে ক্রেন দিয়ে অল্প কয়জন লোক নামাচ্ছে। তার জন্য আমার ভাগিনা এখনও আসতে পারছে না।
তিনি আরও বলেন, ফায়ার সার্ভিসের আরও কতোগুলো ক্রেন আনলে সবাই রক্ষা পেত।
এই বিল্ডিংয়ের অনিক নামের ব্যবসায়ী বলেন, আমার ৫-৭ জন কর্মী এখনও ছাদে আছে। তাদেরকে এখনও উদ্ধার করা হচ্ছে না। দেশের এতো উন্নতি হয়েছে। হেলিকপ্টার দিয়ে তো পারে লোকগুলো আনতে।
সালমা বেগম নামের এক নারী বলেন, আমার বোনের ছেলে আটকে আছে। আমার সাথে একবার কথা হয়েছে। কিন্তু এখন আর ফোন ধরছে না। বেঁচে আছে কিনা সেটিও তো বুঝতে পারছি না। কয়েকজনকে তো উদ্ধার করা হলো কিন্তু বোনের ছেলেকে এখনও পাচ্ছি না।
