ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের নাম কিয়েভ-পন্থি স্লোগানের সাথে মিলিয়ে রাখায় রাশিয়ায় এক ছাত্রকে ১০ দিনের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। চরমপন্থি সংগঠনের প্রতীক প্রদর্শনের জন্য বৃহস্পতিবার তাকে দোষী সাব্যস্ত করে মস্কোর একটি আদালত।
রবিবার (১০ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানায় ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
স্থানীয় সময় বুধবার সকালে মস্কোতে একজন পুলিশ ওই ছাত্রের ওয়াই ফাই নেটওয়ার্কের নাম নিয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানানোর পর ছাত্রটিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মস্কো বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই ছাত্র তার ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের নাম রেখেছিল স্লাভা ইউক্রেনি, যার অর্থ ইউক্রেনের গর্ব।
আদালতের তথ্য অনুযায়ী, কর্মকর্তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের বাসস্থানের মধ্যে তার কক্ষ পরিদর্শন করেছেন এবং তার ব্যক্তিগত কম্পিউটার এবং একটি ওয়াই-ফাই রাউটার খুঁজে পেয়েছেন।
আদালত জানিয়েছে,ওই ছাত্র স্লাভা ইউক্রেনি স্লোগানকে প্রচার করছে। কারণ তার ওয়াই-ফাই রেঞ্জের মধ্যে অসংখ্য ব্যবহারকারী ওই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করছে। রাউটারটি বর্তমানে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
"স্লাভা ইউক্রেনি" ইউক্রেনের সমর্থকদের জন্য রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধের স্লোগানে পরিণত হয়েছে। এই স্লোগানটির ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে উত্থান হয়।
নাৎসি বা চরমপন্থি সংগঠনের প্রতীক প্রকাশ্যে ব্যবহার করায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন অনেক দিন ধরেই ইউক্রেনে নব্য-নাৎসি শাসন সম্পর্কে দাবি করে আসছেন। বিশ্লেষকদের মতে, তার এই দাবি ভিত্তিহীন এবং ইউক্রেন আক্রমণকে ন্যায্যতা দেওয়ার বাহানা।
এমনকি রাশিয়ায় যুদ্ধ শব্দটি বলা বা ব্যবহার করাও অনুমোদিত নয়।যুদ্ধকে বিশেষ সামরিক অভিযান হিসেবে ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
সাধারণ রুশ নাগরিকদের মধ্যে এই ছাত্র সর্বশেষ ব্যক্তি যারা যুদ্ধ সম্পর্কে তাদের মন্তব্য বা কর্মের জন্য শাস্তি পেয়েছে৷
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতে, গত বছর ২১ হাজারের এরও বেশি মানুষ রাশিয়ার "দমনমূলক আইন" দ্বারা লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।
বন্দর নির্মাণে গাজায় যাচ্ছে মার্কিন সামরিক জাহাজ
লোকসভা নির্বাচনের আগে পতদ্যাগ করলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার