মুগদার পিয়াস ইকবাল নূর হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৩। বাকিতে নেওয়া একটি চোরাই মোবাইলের টাকা পরিশোধকে কেন্দ্র করেই তাকে হত্যা করা হয়। গতকাল সোমবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। এর আগে গত রবিবার রাজধানীর মুগদা ও মানিকগঞ্জের হরিরামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. খালিদ হাসান, মো. আরিফ হোসেন ও মো. মেহেদী হাসান মিরাজ নামে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।। তাদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহার করা রক্তমাখা ছুরিটিও উদ্ধার করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে র্যাবের মুখপাত্র খন্দকার আল মঈন বলেন, গত ৭ মার্চ রাতের এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পিয়াসের বাবার করা মামলার প্রধান আসামি আমির উদ্দিন আহমেদ অনিক চোরাই মোবাইল ফোন কেনাবেচার ব্যবসা করত। গত ফেব্রুয়ারিতে অনিকের কাছ থেকে নিহত ভিকটিম পিয়াসের বন্ধু মাহির বাকিতে একটি চোরাই মোবাইল ফোন কেনে। মোবাইলের টাকা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ না করায় মাহিরের ওপর ক্ষিপ্ত হয় অনিক। বিভিন্ন সময় হত্যার হুমকিও দিতে থাকে। পরে ঘটনার দিন সন্ধ্যায় অনিক, খালিদ, আরিফ, মিরাজ ও আরও কয়েকজন মিলে টাকা আদায়ের জন্য মাহিরের বাসায় যায়। তারা মাহিরকে বাসায় না পেয়ে মাহিরের মায়ের কাছে পাওনা টাকা দাবি করে। মাহিরের মা এক দিন পর টাকা পরিশোধের আশ্বাস দিলে তারা চলে যায়।
পরে মাহির বাসায় এসে মায়ের কাছে ঘটনা জানতে পারে। বিষয়টি সমাধানের জন্য মাহির তার বন্ধু পিয়াস ও শামীমকে জানায়। এ দুজন বিষয়টি মীমাংসার জন্য দুপক্ষকে ডাকে। সেখানে উভয়পক্ষই বাগ্বিত-ায় জড়ায়। একপর্যায়ে পিয়াসের পিঠের ডান পাশে এবং শামীমের ডান কাঁধে আঘাত করলে তারা মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।
