দেশকে বাঁচাতে হলে সুষ্ঠু নির্বাচনের বিকল্প নেই, এমন মন্তব্য করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, ‘জনগণের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকবে বিএনপি। খুব শিগগির নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।’
গতকাল মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর শান্তিনগরে যুবদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে তার বাসায় দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ড. মঈন খান।
তিনি মুন্নার শারীরিক ও পারিবারিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। এ সময় মোনায়েম মুন্না তার খোঁজখবর নেওয়ায় জন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং মঈন খানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
মঈন খান বলেন, ‘সরকার যদি স্বাধীনতার পক্ষের হয়, তাহলে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় তাদের আস্থা রাখতে হবে। সরকার ভয় পেয়ে আত্মতুষ্টিতে ভোগার বদলে বিএনপির সমালোচনা করছে। গত ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রতি জনগণের অনাস্থা প্রকাশ পেয়েছে।
এ সময় যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহদপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের ওমর ফারুক মুন্নাসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
ইফতার মাহফিলে বাধা না দিতে অনুরোধ : শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইফতার মাহফিল করতে বাধা না দিতে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।
সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলমের স্বাক্ষরে গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে দুই নেতা বলেছেন, ‘শিক্ষাঙ্গনে ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে সরকার এবং তাদের আজ্ঞাবহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পবিত্র রমজান মাসে সরকারের আশীর্বাদপুষ্ট ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষেরা দিশেহারা এবং ক্ষুব্ধ। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের দৃষ্টি ভিন্ন দিকে সরিয়ে এই অলিগার্কদের অবাধ লুটপাটের সুযোগ দিতে অবৈধ সরকার দেশে ধর্মীয় সম্প্রীতির ওপর পরিকল্পিত আঘাত করছে।’
সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে সাহ্্রিতে গরুর গোশত নিষিদ্ধ করা, অবৈধ শিক্ষামন্ত্রীর মাদ্রাসা শিক্ষাবিরোধী বক্তব্য, এগুলো সবই তাদের পূর্বপরিকল্পনার অংশ বলে মন্তব্য করেন তারা।
