মেহেদির হ্যাটট্রিকে ব্যাংকারদের জয়

আপডেট : ১৮ মার্চ ২০২৪, ০২:৪২ এএম

শেষ ওভারে ১৫ রান দরকার সিটি ক্লাবের, হাতে ৬ উইকেটে। ৩৪ বলে ৬৬ রান করা অধিনায়ক সাজ্জাদুল হক ক্রিজে। আগের ৯ ওভারে ৭৬ রান খরচ করা শেখ মেহেদির প্রথম বলে লেগবাই নিয়ে সাজ্জাদকে স্ট্রাইক দেন আশিক উল আলম। স্ট্রাইকে এসেই ফাইন লেগ দিয়ে চার পেয়ে যাওয়া সাজ্জাদুল পরের বলটায় লং অন দিয়ে মারেন ছক্কা। শেষ ৩ বলে আর দরকার ৪ রান, বাকি ৬ উইকেটই।

কিন্তু এরপর আর একটি রানও যোগ করতে পারেনি সিটি। উল্টো হারিয়েছে ৩ উইকেট। চতুর্থ বলে মেহেদীকে আরেকবার উড়িয়ে মারতে গিয়ে ডিপ মিড উইকেটে নাজমুল ইসলামের হাতে ক্যাচ দেন ৩৭ বলে ৭৬ রান করা সাজ্জাদুল। ৭টি ছক্কা মারা সিটি অধিনায়ককে ফেরানোর পরের দুই বলে ইরফান হোসেন ও মঈনুল ইসলামকে এলবিডাব্লিউ করে মেহেদি পেয়ে যান হ্যাটট্রিকই।

৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ৩০২ রান করে ৩ রানে হারে সিটি। আর ৩ রানের এই জয়ে টানা তৃতীয় জয় তুলে নিল তামিম ইকবালের দল প্রাইম ব্যাংক।

রান তাড়ায় শেষ দুই ব্যাটসম্যান ছাড়া সিটির সবাই করেছেন ২০ রানের বেশি। অধিনায়ক ছাড়াও ফিফটি পেয়েছেন জয়রাজ শেখ (৭৮ বলে ৫৫) ও শাহরিয়ার কমল (৮৪ বলে ৬৬)। তবে এ দুজনের ফিফটির পরও শেষ ১০ ওভারে ১১২ রান দরকার ছিল সিটির। অবিশ্বাস্য ব্যাটিংয়ে সাজ্জাদুল দলকে প্রায় জিতিয়েই দিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তীরে তরী ভেড়াতে পারলেন না।

এর আগে ওপেনার পারভেজ হোসেনের টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরিতে ৮ উইকেটে ৩০৫ রান তোলে প্রাইম ব্যাংক। তার সঙ্গে ওপেন করেছেন অধিনায়ক তামিমই। তবে মাত্র ৬ রান করেই ফিরেছেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক। তামিম ফেরার পর জাকির হাসানকে নিয়ে ১৫৭ রানের জুটি গড়েন পারভেজ। আগের ম্যাচে ১৫১ রান করা বাঁহাতি আজ ১১৪ বলে করেছেন ঠিক ১০০ রান। তার ইনিংসে চার-ছক্কা ৫টি করে। জাকির করেছেন ৭৭ বলে ৭৯ রান। এ ছাড়া ২৯ বলে ৪২ রান করেছেন মোহাম্মদ মিঠুন। সিটির পেসার মেহেদি হাসান নিয়েছেন ৪ উইকেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

প্রাইম ব্যাংক: ৫০ ওভারে ৩০৫/৮ (পারভেজ ১০০, জাকির ৭৯, মিঠুন ৪২; মেহেদি ৪/৬৮)। সিটি ক্লাব: ৫০ ওভারে ৩০২/৭ (সাজ্জাদুল ৭৬, শাহরিয়ার ৬৬, জয়রাজ ৫৫, রাফসান ৩৬, সাদিকুর ৩৫, আশিক ২৪*; মেহেদী ৪/৮৬)।

ফল: প্রাইম ব্যাংক ৩ রানে জয়ী। 

ম্যান অব দ্য ম্যাচ: মেহেদী হাসান।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত