ডেভিড হেম্প বাংলাদেশে এসেছিলেন হাই পারফরম্যান্স দলের কোচ হিসেবে, সেখান থেকে হয়ে গেছেন জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ। শ্রীলঙ্কা সিরিজ দিয়েই জাতীয় দলের হয়ে যাত্রা শুরু বারমুডার সাবেক ক্রিকেটারের। টি-টোয়েন্টি এবং ওয়ানডে সিরিজে ব্যাটিংটা খারাপ হয়নি বাংলাদেশের কিন্তু টেস্টের প্রথম ইনিংসেই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল লাইন-আপ। দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে হেম্প লুকাননি হতাশা।
‘আমরা ৫১ ওভারের বেশি ব্যাট করতে পারিনি, এটা হতাশাজনক, তবে যা হয়েছে তা হয়ে গেছে। আমরা দিনের শেষ দিকে উইকেট নিয়েছি। ওরা ২১১ রানে এগিয়ে আছে, সকালে যদি দ্রুত বাকি উইকেটগুলো নিতে পারি তাহলে হয়তো আমাদের আড়াইশোর আশপাশে কোনো একটা রান তাড়া করতে হবে’, দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে জানিয়েছেন হেম্প। তাইজুল ইসলাম বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেছেন, এটাই প্রমাণ করে ব্যাটসম্যানরা কতটা ব্যর্থ হয়েছেন। ‘ব্যাটিং গ্রুপের সবাই এটা নিয়েই কথা বলছিলাম। অবশ্যই ম্যাচে ১ থেকে ১১ সবাইকেই ব্যাট হাতে অবদান রাখতে হবে। বিশেষ করে বড় দৈর্ঘ্যরে ম্যাচে লোয়ার অর্ডার থেকে অবদান প্রত্যাশা করি। তাইজুল ৮০টা বল খেলেছে যেটা খুবই গর্বের।’
মাহমুদুল হাসান জয়, শাহাদাত হোসেন আর লিটন দাসের আউট নিয়ে হেম্পের পর্যবেক্ষণ, ‘শ্রীলঙ্কার তিন পেসার কৌণিকভাবে বল করেছে, স্টাম্পকে সই করে। আমার মনে হয় (তিনজন) তাদের ভুলটা হচ্ছে ওরা ক্রিজে আটকে গিয়েছিল অথবা এমন বল খেলার চেষ্টা করেছিল যেটা স্টাম্পে আসছিল না। আমাদের এই সমাধান শুধু বের করলেই চলবে না, এদের বিপক্ষে রান করার উপায়ও বের করতে হবে।’
শ্রীলঙ্কার পেস বোলিং কোচ দর্শনা গামাগে তাই খুবই সন্তুষ্ট শিষ্যদের ওপর। বললেন লিডটা ৩০০ ছাড়ালেই জয় দেখছে শ্রীলঙ্কা, ‘এই উইকেটে রান করা সহজ না। আমরা যদি লিডটা ৩০০’র ওপরে নিয়ে যেতে পারি, তাহলে ম্যাচের পাল্লা আমাদের দিকে অনেকটাই ঝুঁকে থাকবে।’
