মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ২৮ মাঘ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

সাহরি ও ইফতারে যে খাবারগুলো বেশি উপকারী

  • ইফতারের পর থেকে সেহরীর আগ পর্যন্ত একটু পর পর ৮-১০ গ্লাস পানি খাওয়া উচিত
  • ইফতারে সাধ্য অনুযায়ী ৩ থেকে ৪ রকমের ফল খাওয়া উচিত, যা পুষ্টি ও পানির যোগান দেয়
আপডেট : ৩১ মার্চ ২০২৪, ১০:৩০ এএম

সময়ের সাথে সাথে বাড়ছে গরম। আর গরমের এই সময় রোজা রেখে সুস্থ থাকাটা বেশ চ্যালেঞ্জের বিষয়। সুতরাং এই সময় এমনকিছু খেতে হবে যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

এ জন্য ইফতার ও সেহেরিতে বেশকিছু খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। আবার কিছু খাবার খাদ্য তালিকায় রাখলে রোজা রেখেও আপনার শরীর থাকবে সুস্থ ও চনমনে।

আর তাই রমজানে সুস্থ থাকতে ইফতার ও সাহরিতে কি কি খাবার উপকারি তা এখানে দেয়া হল।

খেঁজুর

বিশ্বের প্রতিটি মুসলিম দেশে ইফতারে খেজুর অবশ্যই থাকে। এটি স্বাস্থ্য উপকারিতাও অনেক। এতে আছে শর্করা, চিনি, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, সোডিয়াম, ফসফরাস, আয়রন, কপার, সালফার, ম্যাঙ্গানিজ, সিলিকন ও ক্লোরিন ফাইবার। যা সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে খুবই দরকারি। সেহরিতেও একটি হলেও খেজুর খেতে পারেন। শরীরে দ্রুত শক্তি সঞ্চয় করতে এটি অতি জরুরি খাদ্য। কারণ প্রতিটি খেঁজুরে থাকে ৬৬ ক্যালরি শক্তি।

প্রোটিন জাতীয় খাবার

রোজা রেখে শরীরে যেনো প্রোটিনের ঘাটতি না হয় সেজন্য ইফতার বা সেহরিতে প্রোটিন জাতীয় খাবার যুক্ত করা উচিত। এক্ষেত্রে মাছ, মুরগির তরকারি খেতে পারেন। যাদের গরুর মাংসে বিধিনিষেধ নেই তারা চর্বিযুক্ত গরুর মাংস খেতে পারেন।

পর্যাপ্ত তরল জাতীয় খাবার

ইফতারের সময় একসঙ্গে অনেক বেশি পানি পান করার প্রবণতা রয়েছে অনেকের। কিন্তু এটা ঠিক নয়, এটি শরীরে অস্বস্তি তৈরি করে। এটা না করে ইফতারের পর থেকে সেহরীর আগ পর্যন্ত একটু পর পর ৮-১০ গ্লাস পানি খাওয়া উচিত। বিশেষ করে ফলের রস বা ডাবের পানি খেলে শরীর ও মন চাঙ্গা থাকবে।

ফল

 

গরমের সময় অনেক ধরনের মৌসুমি ফল পাওয়া যায় বাজারে। তাই ইফতারে সাধ্য অনুযায়ী ৩ থেকে ৪ রকমের ফল খাওয়া উচিত। যেমন পেয়ারা, আপেল, তরমুজ, বাঙ্গি ইত্যাদি ফল শরীরে পুষ্টি ও পানির যোগান দেয়। এ ছাড়া শাক-সবজি আর ফল মিলিয়ে পছন্দের কোনো সালাদ তৈরি করে নেওয়া যেতে পারে। চাইলে কলা, বাঙ্গি, পেঁপের মত ফল দিয়ে জুস করেও খাওয়া যায়।

দই

ইফতারিতে শুধু দই বা দই চিড়া একটি অনন্য খাবার হতে পারে। এটি সারাদিন অভুক্ত পেটে হজমক্রিয়া সচল রাখবে। এ ছাড়া অ্যাসিডিটি নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করবে। প্রতি ১০০ গ্রাম দইয়ে শক্তি থাকে ২৫৭ ক্যালরি। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে জুস কিংবা দুধের সঙ্গে ইসুবগুল খেতে পারেন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত