সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

ভিডিও গেমে স্নাতক!

আপডেট : ০১ এপ্রিল ২০২৪, ০২:৫৮ এএম

সন্তানের ভিডিও গেম খেলার অভ্যাস বাবা-মা কীভাবে নিতে পারে? নিশ্চয়ই মাত্রাতিরিক্ত ভিডিও গেমপ্রীতিকে ইতিবাচক মনে করেন না অবিভাবকরা। তবে এই ভিডিও গেম কিন্তু এবার পড়াশোনার মাধ্যম হয়ে উঠেছে। হ্যাঁ! সত্যিই ভিডিও গেম এখন পড়াশোনারও বিষয়। বাবা-মা যেভাবে সন্তানকে দূরে রাখতে চান ভিডিও গেম খেলা থেকে, তা বুঝি আর অকাট্য রইল না। সন্তানরা এ নিয়ে পড়তে চাইলে বাধা দেওয়াও মুশকিল হবে।

যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব সাফেক (ইউওএস) ভিডিও গেম বা ই-স্পোর্টস বিষয়ে স্নাতক কোর্স চালু করতে যাচ্ছে। বিশ্বের বড় বড় গেম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ও খেলোয়াড়দের সহযোগিতায় এ বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রির ব্যবস্থা করা হয়েছে। বাঘা বাঘা সব খেলোয়াড় ও গেম নির্মাতারা থাকছেন এই শিক্ষা কারিকুলামে, শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে তোলার ভূমিকায়।  আগামী বছর থেকে ই-স্পোর্টস কোর্সে শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হবে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই মুহূর্তে কারিকুলাম বানাতে ব্যস্ত। ই-স্পোর্টস ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, গেম ডিজাইন, লাইভ স্ট্রিমিং, ই-স্পোর্টস মার্কেটিংসহ প্রতিযোগিতামূলক গেমের বিশ্লেষণ এই ডিগ্রিতে অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

অনলাইনে স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মগুলোর ক্রমবর্ধমান উৎকর্ষের কারণে বেশ কয়েক বছর আগে থেকেই ইলেকট্রনিক স্পোর্টসের খেলোয়াড়দের সংখ্যা বাড়ছে। বিশ্বে এ ধরনের প্রতিযোগিতার সংখ্যাও বাড়ছে। রীতিমতো স্পোর্টস ইন্ডাস্ট্রির উত্থান দেখা যাচ্ছে এই খাতকে কেন্দ্র করে। তরুণদের একটি বড় অংশ ই-স্পোর্টসের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। স্নাতক চালু করা নিয়ে  ইউওসের স্কুল অব টেকনোলজি, বিজনেস অ্যান্ড আর্টসের ডিন অধ্যাপক স্টুয়ার্ট হারমার বলেন, ‘ই-স্পোর্টস শিল্পে শিক্ষার্থীদের প্রবেশ এবং উন্নয়নে ভূমিকা রাখতেই চালু করা হয়েছে এই কোর্স।’ মি. হারমার বলেছেন, ‘আমরা ইংল্যান্ডের পূর্বাঞ্চলে প্রথম ই-স্পোর্টস স্নাতক কোর্স তৈরির পরিকল্পনা করতে পেরে রোমাঞ্চিত।’

বিশ্ববিদ্যালয়টি স্নাতক কোর্সটিকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু পরিকল্পনা সামনে এনেছে। অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করছে তারা। উচ্চমানের গেমিং কম্পিউটার দিয়ে সজ্জিত একটি ই-স্পোর্টস ল্যাব তৈরি করার কাজে হাত দিয়েছে তারা। আন্তর্জাতিকমানের প্রতিযোগিতা আয়োজনেও দেখা যাবে কর্তৃপক্ষকে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত