সেই রাতে কী ঘটেছিল, যে কারণে চুলোচুলিতে জড়ান সেই নারীরা

আপডেট : ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:০০ পিএম

গুলশান-২ এর একটি মদের বারের সামনে চুলোচুলি ও মারামারি করা সেই নারীদের মদপানের লাইসেন্স ছিল না। তারা অতিরিক্ত মদপানের কারণে মাতাল ছিলেন। বেসামাল হয়ে বার থেকে বের হয়ে রাস্তায় গিয়ে প্রকাশ্যে মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে নারীরা।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর মিন্টো রোডে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি জানান, সেলেব্রিটা বার নারীদের কাছে অবৈধভাবে মদ বিক্রি করায় তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেবে গোয়েন্দা পুলিশ।

এর আগে এ ঘটনায় তিন নারীকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন শারমিন আক্তার মিম (২৪), ফাহিমা ইসলাম তুরিন (২৬) ও নুসরাত আফরিন।

ডিবি প্রধান বলেন, ওই নারীরা সেদিন রাতে বারে মদপান করতে গিয়েছিলেন।  তাদের কারো লাইসেন্স ছিল না। এরপরও বারের লোকজন তাদেরকে মদ দেয়। বারের মালিকের উচিৎ ছিল তাদের কাছে লাইসেন্স আছে কিনা দেখা। আবার অতিরিক্ত মুনাফার আশায় তারা এত পরিমাণ মদ খাওয়ালেন যে সবাই মাতাল হলেন, বেসামাল হলেন। তাদের উচিৎ ছিল নারীদের নিয়ন্ত্রণ করা।

গত ১৪ এপ্রিল বারের সামনে সাদা পোশাক পরা নারী ও লাল শাড়ি পরা এক নারীর মধ্যে হাতাহাতির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়। এতে দেখা যায়, হাতাহাতির সময় চিৎকার করছিল নারীরা। কয়েকজন পুরুষ তাদেরকে থামানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।

হারুন অর রশীদ বলেন, যে মেয়েটা মার খেয়েছে তিনিও মাতাল ছিলেন। তিনি অভিযোগ করেছেন। তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে বাকি সবাইকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এদিকে মারধরের শিকার নারী সাংবাদিকদের বলেন, আমি ও আমার এক বন্ধু মিলে খাবার খেতে ওই রেস্তোঁরায় যাই। খাওয়ার এক পর্যায়ে টয়লেটে যাওয়ার জন্য গিয়ে দেখি চারজন মেয়ে একসঙ্গে টয়লেটে প্রবেশ করেছে। বিষয়টি রেস্তেরাঁর ম্যানেজারকে বলি। তারা মেয়েদের বের করে দেয়। পরবর্তী সময়ে আমি রেস্তেরাঁ থেকে বের হওয়ার সময় তারা আমার ওপর হামলা করে। তারা রাস্তার মধ্যে আমার কাপড় খুলে ফেলে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত