বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

কমলগঞ্জে বেশিরভাগ স্টল ফাঁকা বাগাতিপাড়ায় অব্যবস্থাপনা

আপডেট : ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:৩৪ এএম

নাটোরের বাগাতিপাড়ায় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীতে অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে প্রদর্শনীতে বেশিরভাগ স্টল ছিল ফাঁকা। দায়সারা এমন প্রদর্শনী করায় প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়া অনেক খামারি অসন্তোষ প্রকাশ করছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে বাগাতিপাড়া প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল প্রাঙ্গণে প্রদর্শনী উপলক্ষে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর আয়োজিত অনুষ্ঠানের সভাপতি ইউএনও মোহাইমেনা শারমীন যথাসময়ে উপস্থিত থাকলেও আসেননি প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি। প্রদর্শনীতে ৪০টি স্টল বরাদ্দ থাকলেও প্রায় অর্ধেক স্টলই ছিল ফাঁকা।

উপজেলার ফাগুয়াড়দিয়াড় এলাকার আল মা’ আরজি এগ্রো ফার্ম এর পরিচালিকা রোজিনা নাজনীনের স্বামী মাজেদুর রহমান জানান, ফ্রিজিয়ান জাতের গাভী ও বাছুর নিয়ে সকালে প্রদর্শনীতে যান। সকালে তাদের কোনোরকম নাস্তা বা খাবার পানি দেওয়া হয়নি। এই গরমে প্রদর্শনীতে মাত্র দুটি ফ্যানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। গরুগুলো ফ্যানছাড়া থাকতে পারে না। কোনো কারণে দুর্ঘটনা ঘটে গেলে তার অনেক টাকার ক্ষতি হবে।

উপজেলার তমালতলা এলাকার মতিয়া বেগম জানান, তিনি সকালে ১০ কিলোমিটার দূর থেকে প্রদর্শনীতে এসেছেন ডিম থেকে বাচ্চা ফুটানোর মেশিন নিয়ে। তিনি বলেন, কর্তৃপক্ষ তাদের শুধু আমন্ত্রণ করেই ক্ষান্ত। কোনো খোঁজ-খবরও নেয়নি। এই গরমে তাদের সারির স্টলগুলোতে কোনো খাবার পানি বা ফ্যানের ব্যবস্থা করা হয়নি।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আবু হায়দার বলেন, এসব অভিযোগ মিথ্যা। আর অতিথিদের বিষয়ে তিনি বলেন দাওয়াত করেছেন, তারা যদি না আসেন তো তিনি কি করতে পারেন।

কমলগঞ্জে গতকাল উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীর আয়োজন করে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর। সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালভাবে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন কৃষিমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ। ৫০টি স্টল থাকার কথা থাকলেও ৩১টি স্টল সাজিয়ে প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। দুপুর ১২টায় প্রদর্শনীস্থলে গিয়ে বেশিরভাগ স্টলই ছিল ফাঁকা দেখা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক খামারির অভিযোগ, দায়সারা এ প্রদর্শনীতে কিছু খামারিকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও অধিকাংশ খামারি এ বিষয়ে জানেন না। এ কারণে খামারিদের অংশগ্রহণ কম ছিল এবং দর্শনার্থীদের উপস্থিতিও ছিল না বললেই চলে।

এ বিষয়ে কথা বলতে কমলগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. রমাপদ দের (চলতি দায়িত্বে) মোবাইল ফোনে একাধিক কল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি। 

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘প্রদর্শনীতে প্রত্যাশামতো খামারিরা আসে নাই, এলে আরও ভালো হতো।’

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত