মেঘনায় যাত্রীবাহী লঞ্চে আগুন

আপডেট : ২১ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:৪৮ এএম

ভোলা থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী এমভি কর্ণফুলী-৩ লঞ্চে আগুন লাগার পর হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে ১০ জন আহত হয়েছে। তবে অল্পতে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারায় বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে ৪ শতাধিক যাত্রী। গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাইমচর উপজেলায় মেঘনা নদীতে এই ঘটনা ঘটে।

পরে একই কোম্পানির কর্ণফুলী-৪ ও কর্ণফুলী-১১ লঞ্চে তুলে দিয়ে চরে আটকা পড়া যাত্রীদের গন্তব্যে পাঠানো হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ), নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

কর্ণফুলী-৩ লঞ্চের মাস্টার মো. শাহজালাল বলেন, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ভোলার ইলিশা লঞ্চঘাট থেকে ছাড়ে যাত্রীবাহী লঞ্চটি। সকাল ১০টার দিকে চাঁদপুরের হাইমচর এলাকায় মেঘনা নদী অতিক্রমকালে হঠাৎ করে ইঞ্জিন রুমে আগুন লাগে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে লঞ্চটিতে থাকা চার শতাধিক যাত্রী। তাৎক্ষণিকভাবে লঞ্চটি মেঘনা নদীর মধ্যের চরে নোঙ্গর করেন তিনি। পরে লঞ্চের কর্মীরা ফায়ার এস্টিংগুইশার ও পানি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন তারা।

হাইমচর উপজেলার নীলকমল নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক জাহাঙ্গীর হোসেন খান বলেন, ‘খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এ সময় আমরা আতঙ্কিত যাত্রীদের হুড়োহুড়ি করে দিগি¦দিক ছোটাছুটি করতে দেখি। অনেকে জীবন বাঁচাতে পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। একজন ভয়ে হার্ট অ্যাটাক করেন। আমরা আহতদের উদ্ধার করে স্পিড বোটে করে হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই।’

বিআইডব্লিউটিএর অতিরিক্ত পরিচালক (মেরিন) মোহাম্মদ আব্দুর রহিম বলেন, মূলত ইঞ্জিনের টার্বো চার্জার অতিরিক্ত গরম হয়ে অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটে। বিআইডব্লিউটিএর উদ্ধারকারী জাহাজ দুরন্ত ও গড়াই-৩ দুর্ঘটনাকবলিত লঞ্চটি উদ্ধারে কাজ করে। অবশেষে ইঞ্জিনের ত্রুটি সারিয়ে দুপুর আড়াইটার দিকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয় কর্ণফুলী-৩ লঞ্চটি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত