মায়ের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত অভিনেতা রুমি

আপডেট : ২২ এপ্রিল ২০২৪, ০৮:০৪ পিএম

হাজারো ভক্ত ও স্বজনদের কাঁদিয়ে মায়ের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা অলিউল হক রুমি। সোমবার(২২ এপ্রিল) পৌনে ছয়টার দিকে বরগুনা পৌর শহরের আবুল হোসেন ঈদগাহ মাঠে তার দ্বিতীয় জানাজা শেষে পৌর গণকবরে তার মায়ের পাশে দাফন করা হয়। এ সময় অভিনেতা রাশেদ সিমান্ত, শফিক খান নীলুসহ তার সহকর্মী শিল্পীবৃন্দ, আত্বীয় স্বজনসহ স্থানীয় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

ভোর ৩টা ৫৮ মিনিটে ইবনেসিনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এরপর সকাল ৯টায় রাজধানী শহীদবাগ জামে মসজিদে তার প্রথম জানাজা শেষ করে লাশ বরগুনা পৌর শহরের পিটিআই সড়কে ছোট ভাই জিয়াউল হক জুয়েলের বাড়িতে আনা হয়। ঢাকা থেকে রুমির লাশ নিয়ে বিকেল ৪টায় বরগুনা পৌর শহরের পিটিআই সড়কে পৌঁছালে প্রিয় অভিনয় শিল্পীকে এক নজর দেখতে ভিড় করেন তার ভক্ত ও স্বজনরা।

বরগুনা জেলার বামনা উপজেলায় জন্ম রুমির। তার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল হক ও মা হামিদা হক। পরিবারে তিন বোন ও তিন ভাইয়ের মধ্যে রুমি মেজো। ভাইদের মধ্যে তিনি বড়। রুমির দুই সন্তান। মেয়ে আফরা আঞ্জুমান রুজবা স্বামী সন্তান নিয়ে থাকেন কানাডায়। আর ছেলে ফারদিন হক রিতম একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্প্রতি লেখাপড়া শেষ করেছেন।

রুমির অভিনয়ের শুরু থিয়েটার দিয়ে। বেইলি রোডের এখনো ক্রীতদাস নাটকের মধ্য দিয়ে। সেটা ১৯৮৮ সালে। একই বছর কোন কাননের ফুল নাটকের মাধ্যমে ছোট পর্দায় অভিষেক হয় তার। টেলিভিশনের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন সিনেমায়ও। ২০০৯ সালে দরিয়াপাড়ের দৌলতি চলচ্চিত্রে প্রথম অভিনয় করেন। এরপর থেকে অসংখ্য নাটকে অভিনয় করেছেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি নাটক হলো- সাজেশন সেলিম, বোকাসোকা তিনজন, মেকআপ ম্যান, ঢাকা টু বরিশাল, ঢাকা মেট্রো লাভ, বাপ-বেটা দৌড়ের ওপর, আমেরিকান সাহেব, জার্নি বাই বাস, বাকির নাম ফাঁকি, রতনে রতন চিনে, আকাশ চুরি, চৈতা পাগল, জীবনের অলিগলি, মেঘে ঢাকা শহর ইত্যাদি।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত