চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পণ্যবাহী জাহাজ থেকে একসময় নেট সিলিং দিয়ে পণ্য হ্যান্ডেলিং হতো। এতে সময় যেমন বেশি লাগত তেমনি পণ্যের অপচয়ও হতো। তখনকার সময় একটি ক্রেন দিয়ে সারা দিনে সর্বোচ্চ এক হাজার টন পণ্য খালাস করা যেত। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় এখন আধুনিক রিমোট সিস্টেমে গ্র্যাব হ্যান্ডেলিং হচ্ছে বলে একটি গ্র্যাব দিয়েই প্রায় সাত হাজার টন পণ্য খালাস করা যায়। বন্দর দিবস উপলক্ষে দেশ রূপান্তরকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান বাংলাদেশ শিপ হ্যান্ডেলিং অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সামসুজ্জামান রাসেল।
তিনি বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পণ্য খালাসে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। নেট সিলিংয়ের পর পর্যায়ক্রমে গ্র্যাব, সেমি অটোমেটিক গ্র্যাবের পর বর্তমানে রিমোট সিস্টেমে গ্র্যাব হ্যান্ডেলিং করা হচ্ছে। আর এতে ৫০ হাজার টনের পণ্যবাহী জাহাজ থেকে পণ্য খালাসে আগে যেখানে ১৫ থেকে ২০ দিন লাগত এখন লাগছে তিন থেকে চার দিন। পণ্য খালাসে সময় কমে আসায় এখন বহির্নোঙরে জাহাজকে কম সময় ধরে অবস্থান করতে হচ্ছে। এতে দেশে বৈদেশিক মুদ্রা বেশি আসছে। ৫ দিনের পণ্য তিন দিনে খালাস করতে পারলে দুই দিনের টাকা পাচ্ছেন আমদানিকারকরা।
সভাপতি, বাংলাদেশ শিপ হ্যান্ডেলিং অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন
