কালবৈশাখী-বজ্রপাতে প্রাণ গেল ৭ জনের

আপডেট : ০৮ মে ২০২৪, ০৬:৩৭ এএম

কালবৈশাখী ও বজ্রপাতে দেশের বিভিন্ন জায়গায় সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া আহত হয়েছে অন্তত ২৭ জন। মারা গেছে কয়েকটি গরুও। গত সোমবার সন্ধ্যা থেকে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এসব ঘটনা ঘটে।

মাদারীপুর জেলার আলাদা আলাদা জায়গায় বজ্রপাতে দুজন এবং ঝড়ে গাছ পড়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রপাতে মাদারীপুর সদরে কুমার নদে গোসল করতে গিয়ে মিষ্টির দোকানের শ্রমিক সনজিত ও কালকিনি উপজেলার কয়ারিয়ার জসিম নামে এক প্রতিবন্ধীর মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া সদরের কালিকাপুরে ঝড়ো হাওয়ায় গাছ পড়ে একজন ও ছিলারচরে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

বরগুনার আমতলী উপজেলায় কুকুয়া ইউনিয়নে এরশাদ উল আলম মাদ্রাসার ছাত্র হাফেজ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ (১৫) বজ্রপাতে নিহত হয়েছে। পূর্বকুকুয়া গ্রামে নিহতের বাড়ির পাশে বিলে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মাছ ধরার সময় এ ঘটনা ঘটে। নিহত হাফেজ আবদুল্লাহ পূর্বকুকুয়া গ্রামের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদ জসিম হাওলাদারের ছেলে।

গোপালগঞ্জে পৃথক বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় কাশিয়ানী উপজেলার হাতিয়াড়া ইউনিয়নের পাথরগ্রাম ও কোটালীপাড়া উপজেলার আমতলীতে এসব ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন ধানকাটা শ্রমিক সুকান্ত (৫২) ও কৃষক আলমগীর শেখ (৫৫)।

ফরিদপুরের নগরকান্দায় বজ্রপাতের আঘাতে একটি কওমি মাদ্রাসার অন্তত ১৯ শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলা সদরের মদিনাতুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।

অন্যদিকে জেলার বোয়ালমারীতে বজ্রপাতে একটি মাদ্রাসার ছয় ছাত্রসহ আটজন আহত হয়েছে। পৃথক স্থানে হওয়া ওইসব বজ্রপাতে দুটি গরুও মারা গেছে। সোমবার বিকেল ৪টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত বোয়ালমারী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে কালবৈশাখীর সঙ্গে বজ্রপাত হয়। আহতদের বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট জেলা-উপজেলার প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যে প্রতিবেদনটি তৈরি

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত