নির্ঝর নীরবতা
নীরবতা নির্যাস
ধ্যানে বারে উচ্ছ্বাস
আমার আছে অভিলাষ
খুঁজি সত্যের আভাস।
মায়ার ঘোরে
মন ঘুরে
ঠিকানা খুঁজে পায় না
স্থির না হলে কেউ
নিজেকে চেনে না।
চিত্তবৃত্তি নিরোধ হলে
সত্যের বাঁশি
নিজেই বাজে
দুঃখ বেদনার পথ রুদ্ধ হলে
আত্মজ্ঞানের জোছনা হাসে।
প্রেমানন্দ কয়জনে বোঝে?
কর্ম জ্ঞান ভক্তি বুঝলে
মুক্তিলাটাই নিজহাতে রচে।
মায়ার আঁধার কেটে গেলে
দৃশ্য অদৃশ্য এক রূপে চলে।
জ্ঞানের নাড়ি মজবুত হলে
বিন্দু বিন্দু সময় জমে
পলিমাটি হয়ে ধরা দেয়
স্থিরতার পানে।
নিমগ্ন সন্ধ্যার জলে
নিমগ্ন সন্ধ্যার জলে নিজেকে সঁপি
প্রেমের আরাধ্য অবগাহনে
যেখানে নিষ্কাম ভালোবাসা
দিগন্ত বিস্তৃত সবুজ মাঠের বুকে
উঁচু করে দাঁড়িয়ে কবিকে ডাকে।
সুপ্তপ্রেম আবেগের পদ্মপাতায় আছড়ে পড়েছে
ঘ্রাণের কণ্টকাকীর্ণ পথ পেরিয়ে
কবি ভালোবাসাকেই আঁকে
মহাবিশ্বের তাপদাহ বিসর্জন দিয়ে
প্রেমের নিপুবনে আনন্দে মাতে।
মনের দুয়ার
অনিত্যে মজলে মন
অকল্যাণ হয়।
নিত্য বস্তু চিনলে পড়ে
ভাবের উদয় হয়।
যখন যাহাই কর
মনকে বাঁধ সুতায়
মন যেন আকাশে
উড়িতে না পায়।
নানা বর্ণের রঙের মেলা
এই মনেতে বয়,
তারই মধ্যে কিছু বর্ণ
সত্য কথা কয়।
মনের দুয়ার হলে পরিষ্কার
নিত্য বস্তু আওয়াজ পাবে
অতি চমৎকার।
