শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

রূপায়ণ সিটি দেশের সুপরিকল্পিত সিটি

আপডেট : ১৬ মে ২০২৪, ০৬:৪৩ এএম

‘রূপায়ণ সিটি একটি ব্যতিক্রমী স্থাপনা। এটি নিরাপদ এবং পরিবেশবান্ধব। যেখানে অন্যান্য বিল্ডিংয়ে ইলেকট্রিক লাইনের জটলা দেখা যায় কিন্তু এর ব্যতিক্রম রূপায়ণ সিটি। এখানে আসার পর থেকে ভালো লাগা অনুভব করছি। আমি পুরো প্রজেক্ট ঘুরে দেখেছি, যা অনুভব করলাম তা হলো মানুষ যা চায় নিরাপত্তা, পরিবেশ, বাচ্চাদের খেলাধুলা, স্কুল ও পরিবার-পরিজন নিয়ে সময় কাটানোর স্থান; সবই এ সিটির ভেতরে আছে। যদি কেউ এখানে একবার আসে সে এখানে থেকে যেতে চাইবে। কারণ আমার দেখা এটি দেশের সুপরিকল্পিত সিটি’ এসব কথা বলেছেন দেশের প্রখ্যাত ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী হামিদুজ্জামান খান।

গত মঙ্গলবার বিকেলে রূপায়ণ সিটি উত্তরা পরিদর্শন করেন একুশে পদকপ্রাপ্ত ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী হামিদুজ্জামান খান। তিনি বলেন, ‘এখনকার আবাসিক প্রকল্পগুলো কলোনির মতো হয়ে যাচ্ছে। যেখানে খেলার মাঠ, পরিবেশ, সবুজায়ন কিছুই নেই। এ ছাড়া প্রকল্পগুলোতে নানা ধরনের অসংগতি রয়েছে যাতে মানুষের মানসিক ও পরিবেশের প্রতি বিরূপ প্রভাব পড়ে। পর্যাপ্ত পরিমাণ জায়গা না থাকার কারণে মানুষ মোবাইল আসক্ত। এজন্য খেলার মাঠ সুন্দর পরিবেশ খুবই প্রয়োজন, যা আমি এখানে এসে পেয়েছি।’

এ সময় দক্ষিণ কোরিয়ায় অলিম্পিক গেমসের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করেন হামিদুজ্জামান খান। তিনি বলেন, ‘সাউথ কোরিয়ায় আমি গিয়েছি। আমাকে বলা হয়েছে অলিম্পিক ভিলেজ; আমি ভেবেছি ভিলেজ মানে বাড়ি। যখন সেখানে যাই আমি অবাক হয়ে গেছি পুরো একটি জায়গা অলিম্পিক সিটি করে রেখেছে; যা অত্যাধুনিক ফাইভ স্টার হোটেলের মতো। যার সবই পরিকল্পিত। ঠিক একইভাবে আমি রূপায়ণ সিটিতে এসে অবাক হয়ে গেছি, তারাও পরিকল্পিতভাবে মেগা সিটি তৈরি করছে। আমি সবসময় কালচারাল চিন্তাভাবনা নিয়ে থাকি। রূপায়ণ সিটিতে মানুষের চাহিদার গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আমি বলব, রূপায়ণ সিটি একটি স্বাস্থ্যকর সিটি এটা একটি স্লোগান হওয়া দরকার।’ 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রূপায়ণ সিটির সিইও এম মাহবুবুর রহমান, সিবিও রেজাউল হক লিমন, হেড অব মার্কেটিং গোস্বামী অসীম রঞ্জন, হেড অব প্রোডাক্ট অ্যান্ড ডিজাইন স্থপতি সৈয়দ আব্দুল্লাহ রাজুসহ অন্য কর্মকর্তারা।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত